June 19, 2024, 2:06 am

চলতি মৌসুমে কক্সবাজারে বেড়েছে লবণ উৎপাদন!

যমুনা নিউজ বিডি: গত পাঁচ মাসে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে লবণ উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন।চলতি তীব্র দাবদাহ অব্যাহত থাকার কারণে প্রতিদিন উৎপাদিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ লবণ। তাই বৃষ্টিবিহীন মাঠে মনের আনন্দে কাজ করছেন হাজারো লবণ চাষিরা।

তারা দেশের লবণের টার্গেট মাথায় রেখে উপকূলীয় অঞ্চলের চাষিরা বেশ ভালো লবণ উৎপাদন করেই যাচ্ছেন।লবণ উৎপাদননে বিশেষভাবে কক্সবাজার সদর, ঈদগাঁও, মহেশখালী, চকরিয়া, টেকনাফ, কুতুবদিয়া, পেকুয়া ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় ৬৮ হাজার ৪ শত ২৪ একর জমিতে লবণ উৎপাদিত হচ্ছে। এসব মাঠে লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় প্রায় ২৬ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন। গত পাঁচ মাসে তথা এপ্রিল পর্যন্ত লবণ উৎপাদন হয় প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন এর কাছাকাছি।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীসহ কক্সবাজারের ৮ উপজেলার ৪১ হাজার ৭৬৫ জন লবণ চাষি গত বছরের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে লবণ মাঠে লবণ উৎপাদনের জন্য নেমেছেন। অবশ্যই কোনো কোনো এলাকা বিশেষ করে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও পেকুয়ার লবণ চাষিরা গত বছরের ডিসেম্বরে শেষদিকে মাঠে নামে।

এ বিষয়ে চাষিরা বলছেন, চলতি বছরে বৃষ্টিপাত না থাকার কারণে বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় এতো বেশি লবণ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। যে জমিতে লবণ উৎপাদন হয় সেই একই জমিতে বর্ষাকালের মৌসুমে বাগদা চিংড়ি ও কাঁকড়া চাষ করা হয়। কিছু কিছু জমিতে ধানও চাষ করা হয়।বর্তমান পরিস্থিতির মতো আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চাষিরা চলতি মৌসুমে লবণের টার্গেট অতিক্রম করবে বলে আশাবাদী চাষিরা।

চাষি ও লবণ ব্যবসায়ীরা জানায়, দেশে লবণ উৎপাদনের ক্ষেত্র হচ্ছে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী এই অঞ্চলে ।টেকনাফ থেকে শুরু করে বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় উৎপাদিত লবণ দিয়ে সারা দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে ও লবণ রপ্তানি করা সম্ভব।

টেকনাফ-কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলসহ উপকূলীয় এলাকায় লবণ চাষিরা জানায়, দেশে যথেষ্ট পরিমাণ লবণ উৎপাদন হয়। তারাও তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন যেন লবণ ভালো চাষ হয় কিন্তু তাদের দাবি, কোনোভাবেই যেনো লবণ আমদানি করা না হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © jamunanewsbd.com
Design, Developed & Hosted BY ALL IT BD