February 25, 2024, 7:50 am

ভয়েস অব আমেরিকার সাক্ষাৎকারে মিথ্যাচার করেছেন সরকার প্রধান: ফখরুল

যমুনা নিউজ বিডিঃ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মতিঝিলে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, মজুরি কমিশন, জাতীয় বেতন স্কেল ও ন্যুনতম মজুরিসহ সরকার পতনের একদফা দাবিতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের জাতীয় শ্রমিক কর্মচারী কনভেনশনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভয়েস অব আমেরিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভয়েস অব আমেরিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে মিথ্যাচার করেছেন সরকার প্রধান। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নে খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। সুচিকিৎসা থেকেও তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ আজ লুটেরা ও দানবের কবলে পড়েছে। পরপর দুটি নির্বাচনে চুরি করে ডাকাতি করে তারা ক্ষমতা দখল করেছে।

তিনি বলেন, ‌‘দাবি একটাই সরকারকে পদত্যাগ করে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।’

এ সময় অক্টোবরের মধ্যেই সরকারের পতন ঘটানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বলেন, সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে সরকারের পতনের আন্দোলনে। এই লড়াইয়ে সবাইকে থাকতে হবে। সরকারকে পরাজিত করা হবে লড়াইয়ের মাধ্যমে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, হাসিনার সরকারকে জনগণ আর দেখতে চায় না। তারা ভাতে মারছে, পেটে মারছে। সরকার নিজেরা চুরির সঙ্গে জড়িত৷ বর্গিদের মতো লুট করে দেশের সম্পদ বিদেশে নিয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছে আওয়ামী লীগ।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মার্কিন গণমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধেই তো এক ডজনের বেশি মামলা দিয়েছিল খালেদা জিয়া। কই, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আমরাতো কোনো মামলা দিইনি। সবগুলো মামলা তারই নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট, সেনাপ্রধান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দেয়া। সেগুলোর এক এক করে রায় হয়েছে এবং সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে খালেদা জিয়া।’

বিএনপির অন্য নেতাদের বিরুদ্ধেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের মামলা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর বাইরে তাদের অগ্নিসন্ত্রাস, তাদের দুর্নীতি, মানুষ হত্যাসহ নানা ধরণের অপকর্মের মামলা রয়েছে। সেগুলোই নিষ্পত্তি হচ্ছে। তাড়াতাড়ি করা হচ্ছে না।’

বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেরই লাশ গুম করা হয়েছ। স্বজনরা তাদের লাশ দেখতেও পারেনি। আমি নিজেও তো পারিনি আমার বাবা-মায়ের লাশ দেখতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © jamunanewsbd.com
Design, Developed & Hosted BY ALL IT BD