May 25, 2022, 7:33 am

বগুড়ার ইতিহাস, ঐতিহ্য যেমন সমৃদ্ধশালি তেমনি যুগে যুগে এ অঞ্চলে বহু বিশিষ্ট প্রখ্যাত ব্যক্তিবর্গের জন্ম

নিউজ ডেস্ক : বগুড়ার ইতিহাস, ঐতিহ্য যেমন সমৃদ্ধশালি তেমনি যুগে যুগে এ অঞ্চলে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জন্ম গ্রহণ করেছেন। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাদের অবদান অপরিসিম। উল্লেখযোগ্য কিছু প্রখ্যাত ব্যক্তিবর্গ যাদের অবদানের কারণে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন তাদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা তুলে ধরা হলো :

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব :
প্রফুল্ল চাকী : ১৮৮৮ সালে বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী ছিলেন। এই বাঙালি বিপ্লবী তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং জীবন বিসর্জন করেন।

মোহাম্মদ আলী বগুড়া : ১৯০৯ সালে বগুড়া সদরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৩ সালের ১৭ এপ্রিল তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার অবদান স্মরণীয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান : ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলি উপজেলায় বাগবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। স্বাধীনতা মুক্তিযোদ্ধাকালীন জেড ফোর্সের অধিনায়ক ও ১নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৭শে মার্চ তিনি শেখ মুজিবর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ থেকে ৩০ মে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত অধিষ্ঠিত ছিলেন। ৩০ মে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে তিনি কতিপয় আততায়ীদের হাতে নিহত হন।

মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার : ১৯৩৫ সালে বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিবাহিনীর ৬ নম্বর সেক্টরে কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাব প্রদান করে। তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বেগম খালেদা জিয়া : ১৫ আগস্ট ১৯৪৬ সালে দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের প্রথম ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মাঝে দ্বিতীয় মহিলা সরকারপ্রধান (বেনজির ভুট্টোর পর)। চেয়ারপার্সন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রেকর্ড সংখ্যক ভোটে বগুড়া-৬ সদর আসনে তিনি নির্বাচিত হন।

তারেক রহমান : ১৯৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং মাতা বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের তিনবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

হাবিবুর রহমান বুলু মিঞা : ১৯০৮ সালে বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ৫০ ও ৬০ দশকে তিনি অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, যগোস্লাভিয়া ও বার্মায় রাষ্ট্রদুত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রজিব উদ্দীন তরফদার : ১৮৯১ সালে, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২২ সালে তিনি প্রজা আন্দোলনের গোড়া পত্তন করেন এবং বগুড়া জেলা প্রজা সমিতি গঠন করেন।তিনি প্রজা আন্দোলনে ব্যপক ভূমিকা রাখেন।

ফজলুল বারী : ১৯২২ সালে বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শিবগঞ্জ পাকিস্তান আমলে তিনি স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ পদেমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

মাহমুদুর রহমান মান্না : ১৯৫১ সালে বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (ডাকসু)র সাবেক সহ-সভাপতি, এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এর প্রথম সারির নেতা হিসেবে সক্রিয় আছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন: বগুড়ায় স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন। তিনি ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ছাত্রাবস্থাতেই ১৯৭১ সালে মাহন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার পর মমতাজ উদ্দিন ১৯৭২ সালে বগুড়া জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। তার দু’ বছর পর ১৯৭৪ সালে তিনি বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হন। মমতাজ উদ্দিন ১৯৮২ সালে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরশাদের শাসনামলে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন। এরপর তিনি ১৯৮৫ সালে সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৯৪ সালে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন । ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ তিনি মৃত্যবরন করেন।
অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে হাবিবুর রহমান ভান্ডারি, প্রফুল্ল চাকি, মজিবর রহমান, মামদুদুর রহমান চৌধুরী, আমিনুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, তারেক রহমান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

সমাজসেবক :
ডাঃ হাবিবুর রহমান : ১৮৯৩ সালে গাবতলি চিকিৎসা ও সমাজ সেবায় তার ব্যাপক অবদানরয়েছে।
আব্দুল বারী বি. এল. : গাবতলি থানার জয়ভোগা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সাল হতে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত বগুড়ামিউনিসিপালিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন সংস্কারমূলক কাজ করেন।

ওয়াজেদ হোসেন তরফদার : ১৯২৯ সালে সারিয়াকান্দি জনগণের কল্যানে বগুড়া-সায়িাকান্দি রোডে সংকস্কার, ব্রীজ নির্মান ও যমুনা নদীতে বাঁধ নির্মানে অসামান্য ভূমিকা রাখেন।
আজিজুল হক : কাহালু থানার দেওগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাবেক সংসদ সদস্য। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন।

কবিরাজ শেখ আব্দুল আজিজ : ১৮৮১ সালে, বগুড়া সদরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২১ সালে খেলাফত অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করেন। ১৯২৪ সালে প্রজা আন্দোলনে যোগদান করেন এবং কৃষকদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
এ. কে. মুজিবর রহমান : ১৯২২ সালে, বগুড়া সদরে জন্মগ্রহণ করেন। জনসাধারণের সুবির্ধার্থে করতোয়া নদীর উপর ব্রীজ, ০১টি মেডিক্যাল কলেজ, মহিলা কলেজ, বিমান বন্দর ও সুগারমিল স্থাপনের জন্য ব্যাপক অবদান রাখেন।

বেগম মাহমুদা সাদেক : ১৯২৯ সালে বগুড়া সদরে জন্মগ্রহণ করেন। বাগবাড়িতে ১টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।১৯৪৫ সালে ইন্ডিয়ান রেটক্রস সোসাইটির সভ্য নির্বাচিত হন।বগুড়া জেলা মহিলা আত্মরক্ষা সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন।কুঠির শিল্প কেন্দ্র স্থাপন করে মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন।
এছাড়া অন্যান্য সমাজসেবকের মধ্যে ডাঃ মফিজ উদ্দিন আহম্মদ, মোহম্মদ ইসাহাক, বিএম ইলিয়াস, সিরাজুল হক , আব্দুল আলীম, আব্দুল হামিদ খান, মাহবুবর রহমান চৌধুরী, মনির উদ্দীন চৌধুরী, এমএম পাইকাড়, গোলাম রববানী সরকার, হাম্মাদ আলী, মোহাম্মদ মুরাদুজ্জামান, আমজাদ হোসেন তালুকদার, শাহ মোজাম্মেল হক, ইছাহাক গোকুলী, বেগম জিয়াউন্নাহার তালুকদার প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

চিকিৎসাবিদ :
ডাঃ মহম্মদ ইয়াছিন : ১৯২৬ সালে, বগুড়া সদরে জন্মগ্রহণ করেন। বগুড়া রেটক্রসের সহ-সভাপতি ছিলেন বগুড়া মুক ও বধির স্কুলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।পাকিস্তান মেডিক্যাল এসোসিয়েশন, বগুড়া শাখার সহ-সভাপতি ছিলেন।বগুড়া স্কাউটের সহকারি স্কাউট কমিশনার ছিলেন।ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ারের সদস্য ছিলেন।

ডাঃ ননী গোপাল দেবদাস : ১৯১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি , বগুড়া সদরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৬ সালে কলকাতা কারমাইকেল মেডিক্যাল কলেজ থেকে এম,বি পরীক্ষায় কৃতকার্য হয় এবং স্ত্রী বিদ্যায় স্বর্ণপদক লাভ করেন।১৯৪৭ সালে A hand book of pediatrics নামে শিশু বিষয়ক চিকিৎসার বই প্রকাশ করেন। দুর্ভিক্ষ ও মহামারির সময় তিনি আর্তমানবতার সেবায় ব্যাপক অবদান রাখেন।

ডাঃ টি. আহম্মদ : ১৯০৬ সালে, বগুড়া জেলার গাবতলি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চক্ষু চিকিৎসা বিষারদ হিসেবে এ অঞ্চলে খ্যাতি অর্জন করেন।

ডাঃ এস. আই. এম. গোলাম মান্নান : ১৯১৮ সাল ২৫মে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এনাটমি বিভগের এ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর ও ১৯৫৯ সালে প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৬৮ সালে পাকিস্তান মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট পদ লাভ করেন।
এছাড়া অন্যান্য চিকিৎসকদের মধ্যে ডাঃ কছির উদ্দিন তালুকদার, ডাঃ রাবেয়া আহম্মদ, ডাঃ মোঃ আব্দুল লতিফ, ডাঃ মুনসুর রহমান, ডাঃ মোজাফফর রহমান, ডাঃ এ এইচ সাজেদুর রহমান, ডাঃ প্যারি শংকর দাশ গুপ্ত, ডাঃ লতিফা সামসুদ্দীন, ডাঃ মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

আইনবিদ :
কলিম উদ্দীন আহম্মদ : ১৮৯০ সালে বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। একজন প্রসিদ্ধ আইনবিদ হিসেবে বগুড়া বারে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হন।

খান বাহাদুর ইব্রাহিম : ১৮৭১ সালে বগুড়া জেলার গাবতলি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১১ সালে সার্টিফিকেট অব অর্নার প্রাপ্ত হন। ১৯১২ সালে দিল্লী দরবার মেডেল ১৯১৬ সালে কাইসার হিন্দ সিলভর মেডেল লাভ করেন।

মজিবর রহমান : ১৯৩৬ সালে ১জুলাই, বগুড়া সদরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে ‘ল’ ডিগ্রি লাভ করেন এবং ১৯৬২ সালে আইনজীবি হিসেবে বগুড়া বারে যোগদান করেন। ১৯৬৪ সালে সরকারি পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হন।

গাজীউল হক : ১৯৫২সালের ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দান করেন। বগুড়া বারের বিশিষ্ট আইনজিবি হিসেবে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন।
এছাড়াও আইনবিদদের মধ্যে আব্দুল জোববার, কাবেজ উদ্দিন আহম্মেদ, আব্দুস সাত্তার তরফদার, নারায়ন দাশ ভৌমিক, আই.এস এম কেরামত আলী, মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম, আকবর হোসেন আকন্দ, রইস উদ্দীন আহম্মদ, সুরেশ চন্দ্র নন্দি, একেএম মকবুল হোসেন, মোজাফ্ফর হোসেন খন্দকার, আবেদুর রহমান, আবতাব উদ্দিন, এএইচএম মিজানুর রহমান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

শিক্ষাবিদ :
অধ্যক্ষ খোদেজা খাতুন : ১৯১৭ সালের ১৫ আগস্ট, বগুড়া সদর ১৯৬৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানের একমাত্র তিনি প্রেসিডেন্ট পদক লাভ করেন। তিনি রাজশাহী গভর্ণমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষা ছিলেন।

অধ্যাপক এ.কে.এম নুরুল ইসলাম : ১৯২৮ সালে, বগুড়া সদরে জন্মগ্রহণ করেন। রাজশাহী বিভাগ তথা উত্তরবঙ্গে প্রথম ছাত্র হিসেবে উর্দু ভাষায় এম ডিগ্রি লাভ করেন। উর্দু ও বাংলাসহ তিনি ৬টি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন।

অধ্যাপক এ.কে আজাদ : ১৯৩০ সালে বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর ভাইস প্রিন্সিপাল ছিলেন। ১৯৬৮ সালে রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যাপক ছিলেন।
এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষাবিদদের মধ্যে অধ্যাপক আতাউর রহমান, এস.এম খলিলুর রহমান, অধ্যাপিকা ছালেহা খাতুন, ছমির উদ্দীন আহম্মদ, সুজ্জাত আলী, মহসিন আলী দেওয়ান, জসীম উদ্দীন আহমেদ, হুসনেআরা বেগম, মোজাম্মেল হক তালুকদার প্রমুখ নাম উল্লেখযোগ্য।

কবি, লেখক ও সাহিত্যিক :
কে এম শমসের আলী : বাংলা ১৩১৬ সাল জন্মগ্রহণ করেন। কবি প্রতিভার কারণে তাকে কবিরত্ন ও সনেট বিষারদ উপাধি দেয়া হয়। আলিম্পন, পাকিস্তানের গান, সুরের মায়া, স্বাক্ষর, সোনার কমল, রমনার কবি প্রভৃতি কাব্য ও গীতিনাট্য রচনা করেন।

এম. শামছুল হক : ১৯২৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পল্লী তরুণী, অগ্নিশিখা, ফরিয়াদ, সাজেদা, পলাতকের চিঠি, উৎসর্গ, ভালবাসা, খাল বিল নদী উপন্যাস এবং মিতালি পাঠাগার, শিল্পীর সাধনা, মিথ্যার খেসারত ইত্যাদি নাটক রচনা করেন। তিনি সাহিত্য কুঠিরের প্রতিষ্ঠা করেন।

তাজমিলুর রহমান : ১৯২৫ সাল জন্মগ্রহণ করেন। বগুড়া জেলার কর্ণপূর কলির জ্বীন, রুপচাঁদ, সুবেহ উম্মিদ, কারিগর(নাটক), অমৎসর, লঘুগুরু(ব্যঙ্গ রচনা) প্রভৃতি রচনা করেন।

রোমেনা আফাজ : ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বগুড়া শেরপুর দেশের মেয়ে, কাগজের নৌকা, শেষ মিলন, আলেয়ার আলো, জানি তুমি আসবে, প্রিয়ার কন্ঠস্বর, ভুলের শেষে, রক্তে অাঁকা ম্যাপ, মান্দিগড়ের বাড়ি, রঙ্গিয়া, হারানো মানিক, হুসনা, নীল আকাশ, কুন্ডী বাঈ প্রভৃতি উপন্যাস রচনা করেন।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস : ১৯৪৩ সালে বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। তাঁর উপন্যাস: চিলেকোঠার সেপাই, খোয়াব নামা। গল্প: দুধে ভাতে উৎপাত, দোজখের ওম, অন্য ঘরে অন্যস্বর গ্রন্থ: সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু।
এছাড়া অন্যান্য কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে নাজিরুল ইসলাম, মোঃ সুফিয়ান, এ বিএম ফজলুর রহমান, এম এ হান্নান, রেজাউল করিম চৌধুরী, সুশীল চন্দ্র নিয়োগী, আমজাদ হোস

নিউজটি শেয়ার করুন


© All rights reserved © jamunanewsbd.com
Design, Developed & Hosted BY ALL IT BD