August 14, 2022, 7:15 pm

News Headline :
কলেজছাত্রকে বিয়ে করা সেই শিক্ষিকার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন জেলা পরিষদে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বগুড়া জেলা শ্রমিকলীগের শোক সভা ও দোয়া বগুড়ার ভবানীপুর মন্দির পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন মিসরের গিজা শহরে অগ্নিকান্ডে ৪১ জন নিহত বগুড়ায় হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বগুড়ায় ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার খবরদার আন্দোলনকারীদের যেন গ্রেপ্তার করা না হয়: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর ৯৫২ পুকুর সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ দ্রুত কার্যকর করার দাবি সিরাজগঞ্জ  উল্লাপাড়া উপজেলায় হাজারো প্রকৃতিপ্রেমীর মিলন মেলা সোনাকান্ত ও মানতলা পদ্মবিলে

বিদ্যুতে সাফল্যের বয়ান এখন দুঃসংবাদ: আ স ম রব

যমুনা নিউজ বিডিঃ শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের সাফল্য ও আত্মতৃপ্তির বয়ান ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রব বলেন, সারা দেশে ব্যাপক লোডশেডিংয়ে জনজীবন দুর্ভোগে অতিষ্ঠ। বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসা, শিক্ষা ও শিল্প কারখানাসহ সব ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। রাজধানীর বাইরে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের জন্য হাহাকার চলছে। বিদ্যুতের অভাবে সেচযন্ত্র বন্ধ থাকায় মৌসুমের আবাদসহ বিরূপ প্রভাব পড়ছে সামগ্রিক উৎপাদনে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়লেও বিতরণ ও সরবরাহ সক্ষমতা বাড়েনি। বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের এই দুর্গতি দ্রুত নিরসনের সম্ভাবনাও নেই।

রব বলেন, ‘সরকার এখন অফিস, দোকান, মার্কেট ও কাঁচা বাজার বন্ধসহ উৎপাদন উপকরণের সাশ্রয়ের যে নতুন বয়ান দিয়ে যাচ্ছে এতে জনগণ চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবে। বিদ্যুতের অপচয়, অপ্রয়োজনীয়তা এবং কোথায় সাশ্রয় করা যায় তা চিহ্নিত করে সরবরাহ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।’

গত এক দশকে বিদ্যুৎ খাতে সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থাৎ ২.১৮ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়েও জনগণের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পারেনি। দক্ষতার অভাব, দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করতে না পারলে এ খাতে দেনার পরিমাণ আরও বাড়বে। এ সকল দায় অবশ্যই সরকারকে বহন করতে হবে।

দেশের সক্ষমতার ৫৮ শতাংশ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা যা কোনোক্রমেই জাতীয় স্বার্থের সহায়ক নয় বলেও মত জেএসডি সভাপতির।

সরকারি খাতে কম মূল্যের বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেয়ে বেসরকারি খাতে অধিক মূল্যের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ক্রয়কে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে রব বলেন, বিদ্যুৎ খাতের তুঘলকি কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। সরকারি সকল বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করতে হবে ও অধিক ব্যয় বহুল রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বাড়াতে হবে।

জলবায়ু সম্মেলনে জীবাশ্ম জ্বালানি বিশেষ করে কয়লা ব্যবহার বন্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণার পরও বাংলাদেশে অপরিকল্পিতভাবে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে, এমনকি জ্বালানির উৎস বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

অনেক আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা নতুন করে কয়লা খাতে বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের জন্য এটি বড় দুঃসংবাদ। ফলে কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা চরম ঝুঁকিতে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © jamunanewsbd.com
Design, Developed & Hosted BY ALL IT BD