বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

News Headline :
মিলনের সুস্থতা কামনা করে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের বিবৃতি বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবীতে বগুড়ার কাগইলে মশাল মিছিল বুড়িচংয়ে এক ইউনিভার্সিটির ছাত্রের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা  সকল নেতাকর্মীর দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে চলা উচিত- মজিবর রহমান মজনু বগুড়া আ. হক কলেজের শিক্ষক পরিষদের নির্বাচনে জয়ী হলেন যারা নন্দীগ্রামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা বগুড়া জেলা মোটর মালিক গ্রুপের ৭শ’ সদস্যর মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি রফিক ভূঁইয়ার স্মরণ সভা প্রথম স্থান অর্জন গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের কাল থেকে পলিথিনমুক্ত হচ্ছে চট্টগ্রামের তিন কাঁচাবাজার

ইসি গঠনে সার্চ কমিটি একটি ‘ধোঁকা’: সুজন

যমুনা নিউজ বিডিঃ নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটিকে ধোঁকা বলে আখ্যায়িত করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন। সোমবার নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব বলেছেন। তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে একটি আইন প্রয়োজন প্রয়োজন। শুধু ভালো নির্বাচন কমিশন হলেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এজন্য নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন প্রয়োজন।

অনলাইন গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে সুজন। এতে সুজনের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন নিয়োগে প্রস্তাবিত আইনের প্রাথমিক খসড়া তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হবে। সেটা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশন সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে সুজন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রবীণ আইনজীবী আমিরুল ইসলাম বলেন, সংবিধানের প্রতি সম্মান রেখেই কাজ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন করার ক্ষেত্রে সংবিধানের মধ্যে থেকে কী কী করা যায় সেটি ভাবতে হবে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রয়োজনে সংবিধান সব সময় বদলানো যায়। নির্বাচনকালীন তিন মাসের জন্য আসা একটি সরকার তেমন কোনও পরিবর্তন আনতে পারবে না। এজন্য দরকার একটি জাতীয় সরকার।

সুজনের সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। কোনও নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না। দুটো সার্চ কমিটির পারফরম্যান্স মানুষ দেখেছে। সন্তুষ্ট হওয়ার মতো নয়। বর্তমান কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয় না। নির্বাচন কমিশন নিয়ে একটি আইন করার জন্য জোরেশোরে আন্দোলন করা প্রয়োজন।

সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সংবিধান মানতে হলে নির্বাচন কমিশন গঠনে একটি আইন করতে হবে। তবে এটিই যথেষ্ট নয়। আইনটাকে হতে হবে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে, জনগণের স্বার্থে। তিনি বলেন, যে প্রক্রিয়ায় সার্চ কমিটি হয় তা দল নিরপেক্ষ মানুষ দিয়ে হয় না।

আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, সার্চ কমিটি করার এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির নেই। সরকারের ইচ্ছাতেই করা হচ্ছে। কারা সদস্য হবেন সেটাও সরকারের ইচ্ছায় নির্ধারিত।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তারা যখন নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে ছিলেন তখন ২০১১ সালে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইনের একটি খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে এটি নিয়ে আর কোনও আলোচনা হয়নি। বড় কোনও দলকে এই আইন প্রণয়ন নিয়ে আলোচনা করতেও দেখা যায় না। বর্তমান কমিশনের মেয়াদ আছে আর চার মাস। সময় খুব বেশি নেই অবশ্য আইন তৈরি করতে চাইলে এই সময়ের মধ্যে তা সম্ভব।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা দরকার।

সাবেক বিচারপতি আবদুল মতিন বলেন সার্চ কমিটি বিতর্কিত হয়েছে। কমিটিতে যে নামগুলো আসে এর বাইরে যাওয়া যায় না।

অন্যদের মধ্যে বিশিষ্ট আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত, রুহিন হোসেন প্রিন্স, ব্রতীর নির্বাহী পরিচালক শারমিন মুরশিদ প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com