মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

বগুড়ায় যুবলীগ নেতার হাতে আ’লীগ নেতা লাঞ্ছিত

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ  বগুড়ায় যুবলীগ নেতা পৌরসভার ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমিন আল মেহেদী ও তার বাইকচালক সোবহানের হাতে জেলা পরিষদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা মারুফ রহমান মঞ্জু লাঞ্ছিত হয়েছেন। এ সময় তার গলাটিপে ধরে পকেট থেকে ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার রাতে নিশিন্দারা উপশহর এলাকায় এ ঘটনায় লাঞ্ছিত আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জু সদর থানায় দুইজনের নামে এজাহার দিয়েছেন।
বুধবার বিকালে সদর থানার ওসি সেলিম রেজা বলেছেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মেহেদী তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা পরিষদ (১০নং ওয়ার্ড) সদস্য মারুফ রহমান মঞ্জু সদর থানায় দায়ের করা এজাহার ও মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরে ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিয়ে নিশিন্দারা উপশহরের বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে উপশহরে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আরএমও ডা. শফিক আমিন কাজলের সঙ্গে দেখা হলে তাকে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র দেখতে দেন।

তিনি জানান, এ সময় মোটরসাইকেলে সেখানে পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমিন আল মেহেদী ও তার সঙ্গী সোবহান আসেন। তখন মদ্যপ যুবলীগ নেতা কাউন্সিলর মেহেদী বলতে থাকেন- তিনি উপশহর এলাকার ইমাম, সবাইকে তার পেছনে নামাজ পড়তে হবে। তখন ডা. কাজল তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে মেহেদী আরও উত্তেজিত হয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজের পর মারপিট শুরু করেন। তখন তার বাইকের চালক সোহবান গলাটিপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় মেহেদী তার (মঞ্জু) পকেটে থাকা ২২ হাজার টাকা বের করে নেন। আশপাশে থাকা উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ফজলে এলাহী ও অন্যরা এগিয়ে এলে তারা সটকে পড়েন।

আওয়ামী লীগ নেতা, মোকামতলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য মারুফ রহমান মঞ্জু বলেন, তার জীবনে এমন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শোনেননি। লজ্জা ও অপমানে তাকে আত্মহত্যা করতে ইচ্ছা করছে। তিনি রাতেই সদর থানায় মেহেদী ও তার সঙ্গী সোবহানের বিরুদ্ধে এজাহার দিয়েছেন। এছাড়া বিষয়টি জেলা পরিষদের সদস্যদের অবহিত করেছেন। তারা আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।

সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনার সময় পৌর কাউন্সিলর অসংলগ্ন (মদ্যপ) ছিলেন। এজাহার পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com