সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন

সোনাতলার মানবিক ওসির সততা ও কর্মদক্ষতায় প্রশংসিত

ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ বগুড়ার সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা করোনাকালে-লকডাউনে সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগনের সেবায় দিনরাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর সততা, উদারতা, ন্যায়পরায়ণতা, কর্মনিষ্ঠা, নির্ভীক, যে কোন শ্রেণীর মানুষের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণ এবং অসহায় মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালবাসা সোনাতলা থানার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে মুগ্ধ করেছেন ।

এমন বিভিন্ন কৃতিত্বের অধিকারী একজন আলোকিত মানুষ, যিনি মানুষ ও সমাজের জন্য নীরবে-নিভৃতে কাজ করে চলেছেন। সাদা মনের আলোকিত মানুষটি হলেন, আর কেউ নয়, সোনাতলা থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা । তিনি গত বছরের ২০ই অক্টোবর থেকে সোনাতলা থানায় ওসি হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রশাসনের মানুষ হয়েও নিরহংকারী এই মানুষটির, সব শ্রেণির মানুষকে আপন করে নেয়ার গুণ রয়েছে তাঁর মধ্যে। তিনি সকলের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন খোলা মনে। একজন সফল পুলিশ অফিসার হিসেবে ইতিমধ্যেই সোনাতলা থানার প্রতিটি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন এবং যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি । তাঁর কাজকর্মের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত উন্নত মন—মানসিকতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। সুন্দর ও ভাল মনের মানুষ হলে জীবনের সকল পর্যায়ে ভাল কাজ করা সম্ভব এ বিষয়টির অন্যতম নিদর্শন রেজাউল করিম রেজা ।

সততা ও দক্ষতার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন সর্ব সাধারণের কাছে। পুলিশের প্রতি অনেকের বিরুপ ধারনা থাকলেও রেজাউল করিম রেজার মতো একজন সৎ অফিসারের জন্য পুলিশের ভাবমূর্তি অনেকটা উজ্জল হচ্ছে ।করোনাকালে লকডাউন চলাকালীন সময়ে জিবনের ঝুঁকি নিয়ে, নিজে শ্ব-শরীরে মাঠে থেকে তার পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে অবিরাম ছুটে বেড়িয়েছেন থানার একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। করোনা-লকডাউন বাস্তবায়নে শুরু থেকেই জনগনকে ঘরে রাখতে সোনাতলা থানার খোদ এই ওসির নেতৃত্বে মাঠে রয়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক পুলিশ সদস্য। এতে করে কিছুটা হলেও সফলতা মিলেছে বলে ভূয়সী প্রশংসা করছেন এখানকার সচেতন মহল। সোনাতলা থানা এলাকায় ওসি রেজাউল করিম রেজার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে থেকে পুলিশের অক্লান্ত পরিশ্রমে এবং প্রচেষ্টায় করোনার প্রকোপ অনেকটায় কমেছে ৷ গত ২৯ই জুলাই বিকেলে ওসি রেজাউল করিম রেজা নিজে আড়িয়াঘাট এলাকায় জনগনকে হান্ড মাইকে প্রচারের মাধ্যমে করোনা কালিন সময়ে ঘরে থাকার আহবান করতে দেখা গেছে ৷ আড়িয়ঘাটের চা বিক্রেতা মোঃ তৈয়ব আলি বলেন-পুলিশ এসে আমার দোকান বন্ধ রাখতে বলেছে। এটা আমার নিজের ও পরিবারের সুস্থতার কথা চিন্তা করেই বলেছেন তিনি । সেজন্য পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান ওই চা বিক্রেতা ।

সোনাতলা থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা জানান-করোনা ও লকডাউন ঘোষণার আগে-পরে পুলিশ সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষকে নিরাপদ রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি পৌরবাসী সহ থানার জনগনকে ঘরে থেকে সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান।তিনি আরও, বলেন আমার কর্তব্য কাজে আমি কখনো আপোষ করি না। আমি সততার সাথে পুলিশ সুপার মহোদয় এর দিক নির্দেশনা মোতাবেক সেবামুলক কাজের মাধ্যমে, বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করার চেষ্টা করে যাবো।আমার থানা এলাকা থেকে মাদক, চুরি, ছিনতাই, জুয়া, জঙ্গি সহ সকল প্রকার অপকর্মের বীজ উপড়ে ফেলবো। আমার থানার কোন অফিসার কোন অপকর্ম করলে, কোন মাদক ব্যবসায়ীর নিকট থেকে কোনো সুবিধা নিলে কিংবা ঘুষ আদায় করলে নির্ভয়ে থানায় এসে জানাতে বলেন। পুলিশ বলে আমার কাছে কোনো প্রকার ছাড় নেই। গরিব দুঃখী, অসহায়, হতদরিদ্র মানুষ সহ সকলের জন্য থানার দরজা উন্মুক্ত বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com