সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ পূর্বাহ্ন

বগুড়ায় ২৪ ঘন্টায় করোনায় ও উপসর্গে ২৬জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১২৬

স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার ৩ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ২৬জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৮জন এবং উপসর্গে ৮ জন মারা গেছেন। জেলার তিন হাসপাতালে রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে বগুড়া জেলার ১৮ জন এবং অন্য জেলার রয়েছেন ৮ জন। করোনায় মৃত বগুড়ার ১০জন হলেন- আদমদীঘির মোমেনা(৬০), শাজাহানপুরের আঃ আজিজ(৪৮), সোনাতলার শামসুদ্দিন(৬৫), গাবতলীর আজিজার রহমান(৭৭), আদমদীঘির আকতার বানু(৮৫), সদরের জয়নুল(৭১), মতিউর(৬০), বজলার রহমান(৭৫), বাধন চন্দ্র(৬৫) এবং শিবগঞ্জের তাজুল ইসলাম(৬০)।
বগুড়ার বাইরের জেলার ৮জন বাসিন্দা চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনায় মারা গেছেন। তবে বাইরের জেলার মৃত্যুর সংখ্যা যোগ না হওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা বগুড়ার নতুন ১০জনসহ ৫৮২জনে দাঁড়িয়েছে।
বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান তুহীন সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অনলাইন ব্রিফিংয়ে জেলার করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, এ ছাড়া বগুড়ায় আবারও সংক্রমণ বেড়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৭৮ নমুনায় নতুন করে আরও ১২৬জন শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তের হার ২৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এর মধ্যে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ(শজিমেক) এর পিসিআর ল্যাবে ২৮২নমুনায় ৬২জন, জিন এক্সপার্ট মেশিনে ৪ নমুনায় ৩, এন্টিজেন পরীক্ষায় ১৬৯ নমুনায় ৫১জন এবং টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ২৩ নমুনায় ১০জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে সদরের ৬১, শাজাহানপুরে ১৯, শিবগঞ্জে ১২, শেরপুরে ৬, গাবতলীতে ৬, আদমদীঘিতে ৫, দুপচাঁচিয়ায় ৫, ধুনটে ৪, নন্দীগ্রামে ৩, সারিয়াকান্দিতে ২, সোনাতলায় ২ এবং কাহালুতে একজন।এছাড়া একই সময়ে করোনা থেকে ১৯৩জন সুস্থতা লাভ করেছেন।
ডা. তুহীন আরও জানান, জেলায় এ পর্যন্ত মোট ১৯ হাজার ১২০জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৭ হাজার ৫৪জন। এছাড়া জেলায় ১ হাজার ৪৮৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com