সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন

বগুড়া থেকে ট্রাকে-বাসে গাদাগাদি করে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

মমিনুর রশীদ শাইনঃ   শিল্প কারখানা খোলার ঘোষণায় কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। বগুড়ার বনানী গোল চত্বর থেকে পণ্যবাহী ট্রাকে মাইক্রোবাসে  ও দুরপাল্লার বাসে গাদাগাদি করে ঢাকার দিকে ছুটছে কর্মজীবী মানুষ। বনানী বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে কর্মস্থলে ফিরতি মানুষের উপচে পড়া ভীড়। কোথাও মানা হচ্ছে না নূন্যতম স্বাস্থ্যবিধি। ঢাকা- গাজীপুর ও চন্দ্রার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে ট্রাক-পিকআপ ও চেয়ারকোচ। দুর পাল্লার বাস চলাচলে বিধি নিষেধ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না ।

বগুড়ার বনানী গোল চত্বর থেকে ঢাকা গামী গার্মেন্টসকর্মী শহীদ , আব্দুর করিম , রব্বানীসহ কয়েকজন যাত্রী বলেন, কোরবানির ঈদে বাড়ি এসেছিলাম, রবিবার থেকে গার্মেন্টস খুলবে। কোনো বাস চলাচল না করায় বাধ্য হয়ে ট্রাকে করে ঢাকায় যাচ্ছি। সব রুটেই ভাড়া বেশি নিচ্ছে চালকেরা। বগুড়া বনানী গোল চত্বর থেকে ঢাকা যেতে  ভাড়া নিচ্ছে  ট্রাকে ৬০০ টাকা বাসে ১০০০  টাকা ও মাইক্রোবাসে ১৫০টাকা জনপ্রতি ।  এতে আমাদের ভোগান্তি শেষ নাই ।  পরিবহন যদি খোলা থাকতো তাহলে ভালো হতো। তাহলে এই ভোগান্তি টা হতো না।  আমরা যারা ঈদে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলাম তাদেরকে চাকরি বাঁচানোর জন্য বাধ্য হয়েই যেতে হবে। যদি গণপরিবহন খোলা থাকতো তাহলে সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে  নিজ নিজ কর্মস্থলে যেতে পারতাম।

কঠোর লক ডাউনে বিধিবিধান না মেনে রাস্তায় এরকম যানবাহন ও মানুষ চলাচলে প্রাশসনের কোন ভুমিকা চেখে পড়েনি। শত শত গাড়ীর কারনে বানানী এলাকায় ঢাকা -বগুড়া মহাসড়কে জানজটের সৃষ্টি হয়।

বগুড়ার ট্রাফিক পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, রবিবার থেকে শিল্পকারখানা খুলে দেয়ার ঘোষনা দেয়া হয়েছে তাই যে যেভাবে পারছে কর্মস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা করোনার কারনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যতটুকু সম্ভব বাধা দেয়ার চেষ্টা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com