সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

বগুড়া জেলা বিএনপি’র করোনা হেল্প সেন্টারের প্রচারপত্র বিতরণ

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া জেলা বিএনপি’র করোনা হেল্প সেন্টারের প্রচারপত্র বিতরণ। বিএনপি’র চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বগুড়া জেলা শাখার উদ্যোগে ড্যাব বগুড়া এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় টেলি মেডিসিনের মাধ্যমে করোনা রোগীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য বগুড়া জেলা বিএনপি অফিসে করোনা হেল্প সেন্টার চালু করা হয়েছে। উক্ত করোনা হেল্প সেন্টারের জন্য বুধবার দুপুরে বগুড়া জেলা বিএনপির উদ্দেগ্যে শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রচারপত্র বিতরণ করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট একেএম সাইফুল ইসলাম, ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, বগুড়া পৌরসভা মেয়র ও বগুড়া জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, বগুড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এম আর ইসলাম স্বাধীন, অধ্যাাপক ডাঃ আজফারুল হাবিব রোজ, বগুড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কে,এম খাইরুল বাশার, শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন, সহিদ-উল-নবী সালাম, বগুড়া জেলা যুব দলের আহবায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাজেদুর রহমান জুয়েল, জেলা কৃষক দলের সাইফুল ইসলাম বাবলু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু হাসান, সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী রিগ্যান, কাউন্সিলর রোস্তম আলী, এনামুল হক সুমন, রাজু পাইকার প্রমুখ। উক্ত করোনা হেল্প সেন্টারের অসহায় রোগীদের জন্য ফ্রি ওষুধের ব্যবস্থা সহ নমস্কার রোগীদের জন্য অক্সিজেন ও এম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা রয়েছে চিকিৎসা গ্রহণ মোবাইল ফোনে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com