শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:২৬ অপরাহ্ন

দেশের উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বাড়ছে

যমুনা নিউজ বিডিঃ গত কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলের পানিতে দেশের উত্তর জনপদে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে।

মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে নদীভাঙন। এতে আতঙ্কে দিন কাটছে নদীপাড়ের মানুষের।

একদিকে করোনা, অন্যদিকে বন্যা! পাহাড়ি ঢল ও গত কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে লালমনিরহাটের তিস্তা-ধরলাসহ ছোট বড় ১৩টি নদনদীর পানি বেড়েছে। এতে জেলার হাতীবান্ধার সানিয়াজান, সিন্দুর্না, কালীগঞ্জের কালিকাপুর, আদিতমারীর মহিষখোঁচা, গোবর্ধন এবং সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুরসহ নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে তীব্র হচ্ছে নদীভাঙন।

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ঘাঘটসহ সব কটি নদ-নদীর পানি বাড়ায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মাঝে।

ধরলার ভাঙনে কুড়িগ্রামের শতাধিক ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। ভেঙে গেছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কিছু অংশ। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে বাঁধ, স্কুলসহ নানা স্থাপনা।

যমুনার পানি বাড়ায় সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের নদী পাড়ের বাসিন্দারা ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে আড়াই কিলোমিটার সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ।

শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। এখনও ৪ উপজেলার ৪০টি গ্রাম পানির নিচে। তলিয়ে গেছে ২৩০ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা ও ১০ হেক্টর সবজি আবাদ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। রাস্তাঘাট, বীজতলা ও শতাধিক পুকুরের মাছ ভেসে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে চাষিরা।

এদিকে, বন্যাকবলিত এলাকায় বাড়িঘর থেকে পানি নামতে শুরু করলেও এখনো দুর্ভোগে ফেনী ও  ময়মনসিংহের নিচু এলাকার বাসিন্দারা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগাম পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চলতি মাস জুড়েই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। এতে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের ২৩ জেলায় মাঝারি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com