বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:২৩ অপরাহ্ন

সীমান্তে সৈন্য সংখ্যা বাড়াল ভারত

যমুনা নিউজ বিডিঃ   প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন আমি ‘পাকিস্তান’কে পাকিস্তানের ভাষায় জবাব দেওয়া পছন্দ করব। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও এয়ার স্ট্রাইকে নিজের কথা রেখেছেন মোদি। এবার চীনের পালা। চীন সীমান্তে এতদিন রক্ষণাত্মক নীতি ছিল ভারতের।

সেখান থেকে সরে ‘অফেন্সিভ ডিভেন্স’ বা আক্রমণাত্মক-রক্ষণ নীতি নিচ্ছে ভারত। এবার আর শুধু নিজেদের সীমান্তরক্ষা নয়। প্রয়োজন পড়লে চীনে ঢুকে জায়গার দখল নেওয়ার জন্য প্রস্তুত ভারত। গত কয়েক মাসে সীমান্তে আরও ৫০ হাজার সেনা বাড়াল দিল্লি। এই নিয়ে প্রায় ২ লাখ সেনা মোতায়েত করল ভারত। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাফায়েলের মতো ভয়ংকর যুদ্ধবিমানও। কিন্তু কেন হঠৎ করে সীমান্ত নীতি পরিবর্তন এবং সেনা বৃদ্ধি-মার্কিন দৈনিক ব্লুমবার্গের এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি মোদি দপ্তরের সেনা মুখপাত্র। কংগ্রেস আমলে (১৯৬২) চীন যুদ্ধে প্রস্তুতিহীন ভারতীয় সেনাকে পিছু হটতে হয়। তার পর থেকে অনেক বছর চীনের আক্রমণ প্রতিহত করার নীতি নিয়েই আকসাই চীন থেকে অরুণাচলে সেনা মোতায়েন করত ভারত। ভারতের সীমানায় চীনা অনুপ্রবেশে বাধা দিত ভারত। সেনাবাহিনীকে সেরকমই রক্ষণশীল নীতির নির্দেশ থাকত দিল্লির। মোদির ‘নতুন ভারত’ ‘সীমান্ত নীতি’ কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই চীন নিয়ে দেশের রক্ষণশীল নীতির বিরোধিতা করতেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি সরকার কেন্দ্রে আসার পর ডোকলামে চীনা সেনাকে পিছু হঠতে বাধ্য করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। আন্তর্জাতিক মানচিত্রে যা ভারতের নীতি অনেকটাই স্পষ্ট করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গালওয়াল ভ্যালির ভারত-চীন সংঘর্ষ বুঝিয়ে দিয়েছি এবার শুধু প্রতিরোধ নয় পালটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। ২০১৪ থেকে ধাপে ধাপে চীন সীমান্তে সেনা ও যুদ্ধাস্ত্র বাড়িয়েছে ভারত। এ গত বছরই ভারতের অন্যতম শক্তিশালী T-90 ট্যাঙ্ক, ভীষ্মকেও চীন সীমান্তে এনেছিল ভারত।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com