বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৩৫ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের ৭ নং নলকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দূর্নীতির সেরা, ভুক্তভোগী ইউনিয়ন  বাসী

তারিকুল আলম, সিরাজগঞ্জঃ সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলাধীন সলঙ্গা থানার অন্তর্গত ৭ নং নলকা ইউনিয়নের জনগন আব্দুল জব্বার চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও অনিয়মের নিকট জিম্মি হয়ে পরেছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। কোন পদে না থাকলেও আব্দুল জব্বার বিএনপির একজন দাতা ও সক্রীয় উপদেষ্টা বলে জানিয়েছেন একাধিক বিএনপি কর্মী। ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভাবে অংশ নিয়ে আব্দুল জব্বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আর এই বিজয়ের নেপথ্যে রয়েছে তার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া, যেনো জামায়াত বিএনপির দুই দলের ভোট তিনি পান, ঘটেছেও তাই। আরেকটি সুবিধা ১৬ সালের নির্বাচনে জব্বার পেয়েছিলো, সেটা হলো আওয়ামীলীগের অঅভ্যন্তরীণ কোন্দল। নির্বাচিত হওয়ার পরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় থাকার ফেয়ার প্রাইজের ১০ টাকা কেজি চাল প্রদানের ডিলার শীপ নিজের আস্থাভাজন ব্যক্তিদের দিয়েছেন এবং টাকার বিনিময়ে সুবিধাভোগী নির্ধারন করেছে জব্বার।
শুধু তাই নয় বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, ঈদে প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত টাকা ইত্যাদি সকল কিছুতেই জব্বার চেয়ারম্যান প্রচুর অর্থের বিনিময়ে প্রদান করেন বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এলাকাবাসী জানান আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদে আসেইনা বললেই চলে, চেয়ারম্যান শুধু রায়গঞ্জ সাহেবগঞ্জ বাজারে একটি ফার্মেসীতে বসে তার অফিসিয়াল কার্যক্রম চালায়। সংবাদ কর্মীরা কোনো বিষয়ের তথ্যের জন্য গেলে উক্ত  ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান কে পাওয়া যায় না, এমনকি ইউপি সচিবকে সাথে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ব্যাতিত, সাহেবগঞ্জ বাজার থেকে শুরু করে চেয়ারম্যানের বাসায় পর্যন্ত সচিবকে সাথে রেখে ব্যাক্তিগত কাজকর্ম করানো হয় এমন অভিযোগও পাওয়া যায়।    এদিকে এলজিএসপি এর বরাদ্দের টাকা নাম মাত্র কাজ করে তুলে নিয়েছেন বলে জানা যায়।এই বৈশ্বিক করোনাকালীন সময়ে কোন অসহায় দুস্থ ব্যক্তির পাশে দাড়ান নাই বলে জানা যায়।
একাধিক ইউপি সদস্য অভিযোগ করে বলেন, আব্দুল জব্বার কোন বিষয়ে নির্বাচিত ইউপি মেম্বারদের সাথে আলোচনা না করেই কাজ করে থাকেন।চল্লিশ দিনের কর্মসূচীতে যতজন শ্রমিক নিয়ে কাজ করার কথা, তার সিকি ভাগ দিয়েও তিনি কাজ করেন নাই আর বিভিন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে ব্যাংক হিসাব খুলে এই টাকা উত্তোলনের পায়তারা করছেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গৃহহীন দের জন্য বরাদ্দ কৃত বাড়ি প্রকৃত ভুমিহীন, ঘরহীন ব্যক্তিদের না দিয়ে সেই জায়গায় স্বচ্ছল ব্যক্তিদের নামের তালিকা করে ইউএনও এবং এসিল্যান্ডের নিকট পাঠিয়েছে বলে জানা যায়। আব্দুল জব্বার চেয়ারম্যান এই ঘর দেয়ার জন্য ৪০/ ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।
এলাকাবাসী আব্দুল জব্বার চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com