রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১১:১০ পূর্বাহ্ন

শয়তানের ক্ষতি ও তা থেকে বাঁচতে কুরআনের দিকনির্দেশনা

যমুনা নিউজ বিডিঃ শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন। মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা এটি। আর মানুষকে কেয়ামত পর্যন্ত সঠিক পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখার এবং ভুল পথে পরিচালিত করার ক্ষমতাও আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নিয়েছে শয়তান। সে কারণেই মহান আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে শয়তানের ক্ষতির দিক ও তা থেকে বেঁচে থাকার উপায়গুলো সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। আসুন জেনে নিই- সেগুলো কী?

শয়তান পরকালের বিনিময় দুনিয়াকেই গ্রহণ করেছে। সৃষ্টির সময় থেকে মানবজাতির সঙ্গে শয়তানের শত্রুতার সূচনা। মহান আল্লাহর সামনে মানবজাতিকে সত্যচ্যুত করার অঙ্গীকার করে শয়তান। আল্লাহ তাআলা বলেন-
لَّعَنَهُ اللّهُ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًا مَّفْرُوضًا – وَلأُضِلَّنَّهُمْ وَلأُمَنِّيَنَّهُمْ وَلآمُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ آذَانَ الأَنْعَامِ وَلآمُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللّهِ وَمَن يَتَّخِذِ الشَّيْطَانَ وَلِيًّا مِّن دُونِ اللّهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِينًا
‘যার প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন। শয়তান বললঃ আমি অবশ্যই তোমার বান্দাদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট অংশ গ্রহণ করব। তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, তাদেরকে আশ্বাস দেব; তাদেরকে পশুদের কর্ণ ছেদন করতে বলব এবং তাদেরকে আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতি পরিবর্তন করতে আদেশ দেব। যে কেউ আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, সে প্রকাশ্য ক্ষতিতে পতিত হয়।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১১৮-১১৯)

মানুষের মুক্তিতে আল্লাহর সতর্কতা
আল্লাহ তাআলা মানুষকে শয়তানের প্ররোচনা ও ক্ষতি থেকে বাঁচাতে এভাবে সতর্কতামূলক উপদেশ দিয়েছেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ وَمَن يَتَّبِعْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ فَإِنَّهُ يَأْمُرُ بِالْفَحْشَاء وَالْمُنكَرِ وَلَوْلَا فَضْلُ اللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُ مَا زَكَا مِنكُم مِّنْ أَحَدٍ أَبَدًا وَلَكِنَّ اللَّهَ يُزَكِّي مَن يَشَاء وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কর না। যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ করবে। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া তোমাদের প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের কেউ কখনও পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। আল্লাহ সবকিছু শোনেন, জানেন।’ (সুরা নুর : আয়াত ২১)

শয়তানের অনুসরণের উদ্দেশ্য কী?
কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। কুরআন-সুন্নাহর বর্ণনায় পদাঙ্ক অনুসরণের একাধিক ব্যাখ্যা এসেছে-
> আল্লামা ইবনে কাসির রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন- শয়তানের ‘পদাঙ্ক অনুসরণ’ দ্বারা উদ্দেশ্য তার পথ, কর্মপদ্ধতি আর সে যে কাজের নির্দেশ দেয়; সে অনুযায়ী কাজ করা।
> হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতে, পদাঙ্ক দ্বারা শয়তানের কাজ উদ্দেশ্য।
> হজরত কাতাদাহ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, প্রতিটি পাপের কাজই শয়তানের পদাঙ্কের অন্তর্ভুক্ত ‘ (তাফসিরে ইবনে কাসির)

সমকালীন বিশ্বের অন্যতম ইসলামিক স্কলার শায়খ ইবনে উসাইমিন রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন এমন সব কাজই শয়তানের ‘পদাঙ্ক অনুসরণ’-এর অন্তর্ভুক্ত; চাই তা-
১. অহংকার;
২. মিথ্যা বলা;
৩. ঠাট্টা-বিদ্রুপ ইত্যাদি যা-ই হোক না কেন।
কেননা শয়তান এসব পাপের নির্দেশ দেয়, তার প্রচার করে এবং তার দিকে আহ্বান জানায়।’ (তাফসিরুল ফাতিহা ওয়াল বাকারা)

শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণে আল্লাহর নিষেধাজ্ঞা
কুরআনুল কারিমের ৪ স্থানে আল্লাহ তাআলা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। এসব আয়াতে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে। তাহলো-
১. وَمِنَ الأَنْعَامِ حَمُولَةً وَفَرْشًا كُلُواْ مِمَّا رَزَقَكُمُ اللّهُ وَلاَ تَتَّبِعُواْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
‘তিনি সৃষ্টি করেছেন চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যে বোঝা বহনকারীকে এবং খর্বাকৃতিকে। আল্লাহ তোমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন, তা থেকে খাও এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ (সুরা আনআম : আয়াত ১৪২)

২. يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُواْ مِمَّا فِي الأَرْضِ حَلاَلاً طَيِّباً وَلاَ تَتَّبِعُواْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
‘হে মানবমণ্ডলী! পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্ রী খাও। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৬৮)

৩. يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ ادْخُلُواْ فِي السِّلْمِ كَآفَّةً وَلاَ تَتَّبِعُواْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ কর না। নিশ্চিতরূপে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২০৮)

৪.
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ وَمَن يَتَّبِعْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ فَإِنَّهُ يَأْمُرُ بِالْفَحْشَاء وَالْمُنكَرِ وَلَوْلَا فَضْلُ اللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُ مَا زَكَا مِنكُم مِّنْ أَحَدٍ أَبَدًا وَلَكِنَّ اللَّهَ يُزَكِّي مَن يَشَاء وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কর না। যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ করবে। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া তোমাদের প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের কেউ কখনও পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। আল্লাহ সবকিছু শোনেন, জানেন।’ (সুরা নুর : আয়াত ২১)

মানুষের সঙ্গে শয়তানের প্রতারণা যেমন
মানুষের সঙ্গে নানাভাবে প্রতারণা করে শয়তান। ফলে সে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে। কুরআনুল কারিমের শয়তানের সেসব প্রতারণার কৌশলগুলো ওঠে এসেছে। তাহলো এমন-
১. মিথ্যা আশ্বাস
يَعِدُهُمْ وَيُمَنِّيهِمْ وَمَا يَعِدُهُمُ الشَّيْطَانُ إِلاَّ غُرُورًا
‘সে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে আশ্বাস দেয়। শয়তান তাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা সব প্রতারণা বৈ কিছুই নয়।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১২০)

২. মন্দ কাজকে আকর্ষণীয় করে
وَعَادًا وَثَمُودَ وَقَد تَّبَيَّنَ لَكُم مِّن مَّسَاكِنِهِمْ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ أَعْمَالَهُمْ فَصَدَّهُمْ عَنِ السَّبِيلِ وَكَانُوا مُسْتَبْصِرِينَ
‘আমি আদ ও সামুদকে ধ্বংস করে দিয়েছি। তাদের বাড়ী-ঘর থেকেই তাদের অবস্থা তোমাদের জানা হয়ে গেছে। শয়তান তাদের কর্মকে তাদের দৃষ্টিতে সুশোভিত করেছিল। অতঃপর তাদেরকে সৎপথ অবলম্বনে বাধা দিয়েছিল এবং তারা ছিল হুশিয়ার।’ (সুরা আনকাবুত : আয়াত ৩৮)

৩. ভয় সৃষ্টির মাধ্যমে
الشَّيْطَانُ يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِالْفَحْشَاء وَاللّهُ يَعِدُكُم مَّغْفِرَةً مِّنْهُ وَفَضْلاً وَاللّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
শয়তান তোমাদেরকে অভাব অনটনের ভীতি প্রদর্শন করে এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়। পক্ষান্তরে আল্লাহ তোমাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও বেশী অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৬৮)

৪. নেশা ও মোহ সৃষ্টির মাধ্যমে
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالأَنصَابُ وَالأَزْلاَمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
‘হে মুমিনগণ! এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য ছাড়া আর কিছু নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।’ (সুরা মায়েদা : আয়াত ৯০)

৫. লোভ দেখানোর মাধ্যমে
الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لاَ يَقُومُونَ إِلاَّ كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُواْ إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا وَأَحَلَّ اللّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا فَمَن جَاءهُ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِ فَانتَهَىَ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللّهِ وَمَنْ عَادَ فَأُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
‘যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্র য় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্র য় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৭৫)

শয়তানের ধোঁকা থেকে বাঁচার উপায়
শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে বাঁচার উপায়গুলোও মহান আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের একাধিক আয়াতে তুলে ধরেছেন। তাহলো-

১. শয়তানকে সব সময় শত্রু জানা
إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا إِنَّمَا يَدْعُو حِزْبَهُ لِيَكُونُوا مِنْ أَصْحَابِ السَّعِيرِ
‘শয়তান তোমাদের শত্রু; অতএব তাকে শত্রু রূপেই গ্রহণ কর। সে তার দলবলকে আহবান করে যেন তারা জাহান্নামী হয়।’ (সুরা ফাতির : আয়াত ৬)

২. আল্লাহর জিকির করা
اسْتَحْوَذَ عَلَيْهِمُ الشَّيْطَانُ فَأَنسَاهُمْ ذِكْرَ اللَّهِ أُوْلَئِكَ حِزْبُ الشَّيْطَانِ أَلَا إِنَّ حِزْبَ الشَّيْطَانِ هُمُ الْخَاسِرُونَ
‘শয়তান তাদেরকে বশীভূত করে নিয়েছে, অতঃপর আল্লাহর স্মরণ ভূলিয়ে দিয়েছে। তারা শয়তানের দল। সাবধান, শয়তানের দলই ক্ষতিগ্রস্ত।’ (সুরা মুজাদালাহ : আয়াত ১৯)

৩. আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া
وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ – وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ
উচ্চার (ওয়া কুল) ‘রাব্বি আউজুবিকা মিন হামাযাতিশ শায়াত্বিন ওয়া আউজুবিকা রাব্বি আইঁইয়াহদুরুন।’
‘বলুন, হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি। এবং হে আমার পালনকর্তা! আমার কাছে তাদের উপস্থিতি থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।’ (সুরা মুমিনুন : আয়াত ৯৭-৯৮)

৪. আল্লাহর অনুগত্য করা
إِنَّ عِبَادِي لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَانٌ إِلاَّ مَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْغَاوِينَ
‘যারা আমার (আনুগত) বান্দা, তাদের উপর তোমার (শয়তানের) কোনো ক্ষমতা নেই; কিন্তু পথভ্রান্তদের মধ্য থেকে যারা তোমার পথে চলে।’ (সুরা হিজর : আয়াত ৪২)

বিশেষ করে ঈমানের ওপর সুদৃঢ় থাকার মাথ্যমে শয়তান থেকে বেঁচে থাকার অন্যতম উপায়। কেননা মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই তার কোনো আধিপত্য নাই তাদের ওপর যারা ঈমান আনে ও তাদের প্রতিপালকের ওপর নির্ভর করে।’

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, প্রকাশ্য শত্রু শয়তান থেকে হেফাজত থাকা। কুরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মোতাবেক জীবন পরিচালনা করা।

আল্লাহ তআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী শয়তানের আক্রমণ থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com