বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাঙালির পিতার নাম শেখ মুজিবুর’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কুয়েতের বিপক্ষে হারল বাংলাদেশ নন্দীগ্রামে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ইংলিশদের সামনে পাত্তাই পেল না বাংলাদেশ সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেল চাষে মিলবে ব্যাংক ঋণ সিরাজগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কে কেন্দ্র করে বিএনপি-আ’লীগ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ২০ জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান উপলক্ষে ব্রাহ্মণপাড়ায় র‍্যালী ও আলোচনা সভা বগুড়ার ধুনটে সরকারি চাল বোঝাই ট্রাক জব্দ বগুড়ায় জমজম ড্রিংকিং ওয়াটারকে জরিমানা ১ লাখ টাকা নওগাঁর সাপাহার উপজেলা আইন শৃংঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ব্যাংক-ডাকঘরে মিলবে না ৫ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র

যমুনা নিউজ বিডিঃ এখন থেকে ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র তফসিলি ব্যাংকের শাখা বা ডাকঘর থেকে কেনা যাবে না। শুধু জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতাধীন জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সঞ্চয় ব্যুরো থেকে কেনা যাবে। মঙ্গলবার (১৮ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশ জারির দিন থেকেই নতুন এ আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের  (আইআরডি) সিনিয়র সহকারী সচিব নুসরাত জাহান নিসু স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, সঞ্চয়পত্র বিধিমালা ১৯৭৭ এর বিধি ৫ এর উপবিধি ৫ ও ৬ অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগে শৃঙ্খলা আনয়নের লক্ষ্যে উক্ত বিধিমালার বিধি-৩ এ যাই থাকুক না কেন ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ শুধু মাত্র জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘সঞ্চয় ব্যুরো’ কর্তৃক পরিচালিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো। ইহা জারির তারিখ থেকে কার্যকর হইবে। জানা গেছে, বুধবার (১৯ মে) থেকে কোনো বিনিয়োগকারী যদি পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে চান, তাহলে শুধু সঞ্চয় অধিদপ্তরের শাখা অফিসগুলোতে যেতে হবে। বর্তমানে সারা দেশে ৭০টির বেশি এমন সঞ্চয় ব্যুরো আছে। ১৯৭৭ সালে এ সঞ্চয়পত্র প্রবর্তন করে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের বাকি তিনটি সঞ্চয়পত্র—পরিবার সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্র নিয়ম অনুযায়ী আগের মতো ব্যাংক ও ডাকঘর থেকে কেনা যাবে। একজন বিনিয়োগকারী একক নামে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা এবং যুগ্ম নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকার পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। নাবালকের পক্ষেও এ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষে মুনাফা নিতে চাইলে মুনাফার হার দাঁড়াবে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে মেয়াদপূর্তির আগে নগদায়ন করলে প্রথম বছর শেষে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছর শেষে ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ, তৃতীয় বছর শেষে ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ, চতুর্থ বছর শেষে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যাবে। অন্যদিকে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি এ সঞ্চয়পত্র কেনে, তা হলে কত টাকার সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে, এর কোনো সীমা নেই। প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিলের অনুকূলেও এ সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে। এছাড়া মৎস্য খামার, হাস-মুরগির খামার, পোলট্রি ফিড উৎপাদন, বীজ উৎপাদন, স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত বীজ বিপণন, গবাদিপশুর খামার, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের খামার, ব্যাঙ উৎপাদন খামার, উদ্যান খামার প্রকল্প, রেশম গুটিপোকা পালনের খামার, ছত্রাক উৎপাদন এবং ফল ও লতা পাতার চাষ থেকে উপার্জিত আয় দিয়ে সঞ্চয়পত্রটি কেনা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com