শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৪৭ অপরাহ্ন

News Headline :
হিল্লা বিয়ে কি জায়েজ? রসুন স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা ক্ষতিকর জানেন কি? বৈশ্বিক মঙ্গলের জন্য কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিকোয়াড জোট : মোদি নাইজেরিয়ায় জিহাদি হামলায় ৮ সেনাসদস্য নিহত হুয়াওয়ের নির্বাহীর মুক্তি, দুই কানাডিয়ানকে ছেড়ে দিল চীন ভারতের বিখ্যাত নারীবাদী নেত্রী কমলা ভাসিন আর নেই সিরিয়া যুদ্ধে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের প্রাণহানি : জাতিসংঘ বগুড়ায় রোভার স্কাউট লিডার ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই ঐতিহাসিক ২৫ সেপ্টেম্বর আজ

ফেসবুক থেকে আয় করবেন যেভাবে

যমুনা নিউজ বিডিঃ ঘরে বসে ফেসবুক থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়? এমন প্রশ্ন হরহামেশাই শোনা যায়। এমনকি আমাদের নিজেদের মনেও উঁকি দেয় এরকম হাজারো প্রশ্ন। কিন্তু এতসব প্রশ্নের কিন্তু খুব সহজ একটা উত্তর রয়েছে। উত্তরটা হলো ফেসবুক!

চলমান করোনা মহামারি ও লকডাউনের কারণে গৃহবন্দী সময়কে কাজে লাগিয়ে সহজেই ফেসবুকের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। কীভাবে? সে বিষয়ে আপনাকে জানাবো-

ফেসবুক পেজ

ফেসবুক খুললেই আমাদের চোখে পড়ে হরেক রকমের পেজ। কনটেন্টের মান ভালো হলে ফেসবুক নিউজফিডে সহজেই প্রাধান্য পায়। ফেসবুক পেজ থেকে আয় করতে হলে প্রথমেই একটি পেজ খুলে নিতে হবে। ফুড রিভিউ, ট্র্যাভেল পেজ, নিউজ পোর্টাল কিংবা ট্রেন্ডি কোনো ট্রল পেজসহ বিভিন্ন ধরনের ফেসবুক পেজ খুলতে হবে।

ফেসবুক পেজ খোলার পর সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে কনটেন্ট বা বিষয়বস্তুর ওপর। কারণ আপনার কনটেন্টের ওপর পেজটিতে ফ্যানবেস নির্ভর করবে। আকর্ষণীয় শিরোনাম এবং ছবি বা ফুটেজ থাকলে সহজেই ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব হবে। ফেসবুক পেজে নিজের ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করার মাধ্যমে ভিজিটর বাড়ানোর যায়। ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস, টাম্বলারের লিংক পেজে পোস্ট করে আয় করা যায়।

এ ছাড়া অ্যাডসেন্স নামে গুগলের একটি প্রোগ্রাম রয়েছে। যেটি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আয় করা যায়। অ্যাডসেন্সের কাজ ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন সরবরাহ করা। এর বিনিময়ে ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীদের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিয়ে থাকে তারা।

ফেসবুক পেজে কনটেন্ট তৈরির কাজ শেষ করার পর সেগুলো বিক্রি করতে হবে। শপসামথিং ডট কম নামে অনলাইনে একটি ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে ফেসবুক পেজের বিভিন্ন পোস্ট বিক্রি করা যায়।

ফ্রিল্যান্সিং

বাংলাদেশের নেটিজেনদের কাছে ফ্রিল্যান্সিং একটি পরিচিত নাম। ফেসবুকের মাধ্যমে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করেন। তবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো সবসময় হাতের কাছে কাজ থাকে না। ফ্রিল্যান্সিংয়ে প্রায় দেখা যায়, নিজের পছন্দ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ফ্রিল্যান্সাররা কাজ পাচ্ছেন না। কনটেন্ট তৈরি, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, অনলাইন মার্কেটিংয়ের মতো ফ্রিল্যান্সিংয়ের আরো অনেক শাখা-প্রশাখা রয়েছে। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ বা পেজের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ পাওয়া যায়।

অ্যাডভার্টাইজিং

অনেকেই শুনেছেন অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভার্টাইজিংয়ের কথা। ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে করতে নিউজফিডে প্রায়ই বিভিন্ন অ্যাড চোখে পড়ে। যেগুলোর নিচে ‘স্পন্সরড’ লেখা থাকে। একেই অ্যাফিলিয়েট অ্যাডভার্টাইজিং বলা হয়। অ্যাফেলিয়েট অ্যাডভার্টাইজিং প্রোগ্রামের জন্য আলাদা একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রত্যেক বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা আলাদা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

এতে ব্যবহারকারীরা নিজেদের পছন্দ মতো বিজ্ঞাপন খুঁজে নিতে পারবেন এবং অল্প সময়ে বেশি আয় করা সম্ভব হয়। এখানে ব্যবহারকারীরা যতবার বিজ্ঞাপনটি দেখবে ততবার আয় বাড়তে থাকে। তাই বিজ্ঞাপনের প্রোমোশনের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া উচিত।

অনলাইন কনটেস্ট

অনলাইন কনটেস্ট বা প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য কোম্পানির প্রোমোট করা। প্রায় সময়েই ফেসবুকে বিভিন্ন কনটেস্ট দেখা যায়। নতুন কোনো ক্যাম্পেইন, পণ্য, মার্কেট প্ল্যানিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুককেই বেছে নেয় এসব কোম্পানি। অনলাইন কনটেস্টে পুরস্কার হিসেবে কখনো মোটা অঙ্কের অর্থ, কখনো প্রাইজবন্ড, কখনো ইন্টার্নশিপ বা চাকরির সুযোগ।

এতে অংশ নিলে আপনার কাজ হবে বেশি বেশি লাইক, শেয়ার এবং বন্ধুদের ট্যাগ করা।

অনলাইন মার্কেটিং

অর্থ উপার্জনের জনপ্রিয় একটি উপায় হলো অনলাইন মার্কেটিং। ফেসবুককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস রয়েছে। ইদানিং ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন শপ গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন গ্রুপ বা পেজে পণ্যের ছবি, বিবরণ, সাইজ এবং মূল্য লেখা থাকে। ইনবক্সে অথবা কমেন্টে গ্রাহকরা তাদের পছন্দমতো পণ্য অর্ডার করে। কোনো কোনো কোম্পানিতে অর্ডার করার সময়েই ক্রেডিট কার্ড বা বিকাশের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করতে হয়।

ইনফ্লুয়েন্সার

এটি ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরের মতো। ফেসবুকে ইনফ্লুয়েন্সার হতে হলে আপনার প্রোফাইলে মানসম্মত কিছু কনটেন্ট এবং অনেক বেশি ফ্যান-ফলোয়ার থাকতে হবে। এর পাশাপাশি ফেসবুক অ্যাক্টিভিটিতে সার্বিকভাবে ফলোয়ারদের সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া থাকতে হবে। এরপর হায়ারইনফ্লুয়েন্স, ব্লগমিন্ট, ফ্রোমোটের মতো ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেট এজেন্সির ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

অ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে গেলে কোনো এক ব্র্যান্ডের প্রতিটি পোস্টের জন্য নির্দিষ্ট মূল নির্ধারণ করতে হবে এবং পরে এসব ব্র্যান্ডের পোস্ট প্রচার করার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media


বৈশ্বিক মঙ্গলের জন্য কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিকোয়াড জোট : মোদি

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com