সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

হাইকোর্টে ৩৫ বেঞ্চের দাবিতে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে মিছিল-মানববন্ধন

যমুনা নিউজ বিডিঃ হাইকোর্ট বিভাগে চারটি বেঞ্চের পরিবর্তে বেঞ্চের সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৫টি করার দাবিতে রবিবার দুপুরে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। একইসঙ্গে আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন। সাধারণ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদীর নেতৃত্বে এ কর্মসূচিতে সমিতির সাবেক সহসম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল হক তালুকদার রাজা, ব্যারিস্টার শেখ ওবায়দুর রহমান, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আব্দুল মান্নান মোহন, অ্যাডভোকেট মনির হোসেন, অ্যাডভোকেট কবির ফরায়েজি তালুকদার, মো. ঈসা, রেজাউল ইসলাম রিয়াজ, মো. মাসুদ রানা, মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ, অ্যাডভোকেট বাদল, ব্যারিস্টার এবিএম গোলাম মাওলা তাজ প্রমুখ আইনজীবী অংশ নেন।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা। এর আগে তারা প্রধান বিচারপতির কাছে দাবি সম্বলিত আবেদন দেন। তারা হাইকোর্ট বিভাগে ভার্চুয়াল বেঞ্চের সংখ্যা বাড়ানো এবং অধস্তন আদালত (জেলা জজ ও দায়রা জজ) খুলে জামিনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শুনানির অনুমতি দেওয়ার দাবি জানান। তারা দেশের সকল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আত্মসমর্পণের সুযোগ করে দেওয়া, আসামিদের জামিন শুনানি, নতুন মামলা দাখিল ও শুনানির ব্যবস্থা করাসহ সকল মামলা শুনানির ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমনে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে সুপ্রিম কোর্টসহ সকল অধস্তন আদালতে সীমিত পরিসরে বিচার কার্যক্রম চলছে। এরইমধ্যে সরকার আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষনা দিয়েছে। এ অবস্থায় আইনজীবীরা ভার্চূয়ালি হাইকোর্টের বেঞ্চ সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে আবারো মানববন্ধন করলেন। এর আগে গত সপ্তাহে তারা একই দাবিতে মানববন্ধন করেছিলেন।

এদিকে অধস্তন আদালত খুলে দেওয়ার দাবিতে এরইমধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতি পৃথকভাবে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন দিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com