সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন

চসিকের জরুরী সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে : মেয়র

যমুনা নিউজ বিডিঃ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারী নির্দেশনা সমূহ কঠোরভাবে পালন এবং অনুসরণের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, করোনাকালীন আর্থসামাজিক বিপর্যয় প্রতিরোধে চসিক থেমে নেই। চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক স্ট্যান্ড রোড, মাঝির ঘাট রোডকে ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তোলার প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। এ কাজে যে-সকল জনবল নিয়োজিত আছেন তাদেরকে তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি আজ শনিবার দারোগাহাট রোড, স্ট্যান্ড রোড, মাঝিরঘাট রোড এলাকায় প্যাচওয়াক ও নালার মাটি উত্তোলনকালে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দৃশ্যমান সমস্যা ও নাগরিক দূর্ভোগ লাঘবে প্যাচওয়াক, পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন, আলোকায়ন ও সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করেছি। চলমান এ কাজের সুফল পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে করোনার সংক্রমণ হার দ্রুত বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে আক্রান্তদের সেবা প্রদানকল্পে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় নগরীর লালদিঘী পাড়স্থ চসিক লাইব্রেরী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা ভবনে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এখানে চিকিৎসাধীনরা বিনামূল্যে চিকিৎসা, ঔষধপত্র, অক্সিজেন সার্পোট, খাবারসহ সব ধরণের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। নগরীর ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে মাইকিং ও সচেতনাতামূলক লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম চলছে বলেও তিনি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাদারবাড়ী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ আতাউল্লাহ চৌধুরী, সংরক্ষিত কাউন্সিলর নিলু নাগ, নির্বাহী প্রকৌশলী বিপ্লব কুমার দাশ, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, মো. ছানাউল্লাহ, মো. আবির, মো. আলমগীর হীরা, মো. বেলাল, মাহাবুবুল হক জনি প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com