সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
শেখ রাসেলের জন্মদিনে বগুড়া জেলা আ’লীগের কর্মসূচি ঘোষণা প্রথমবার জাতীয়ভাবে পালিত হচ্ছে ‘শেখ রাসেল দিবস’ নওগাঁর সাপাহারে বিএমএসএফ’র পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান  সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বগুড়ায় শ্রমিক লীগের মানববন্ধন ইউপি নির্বাচনে ভোট চুরির চেষ্টা করলে জনতা হাত গুঁড়িয়ে দেবে : হেলালুজ্জামান লালু বগুড়ায় ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দৈনিক বগুড়ার ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বগুড়ায় করোনার টিকা নেয়ার সময় বৃদ্ধার চেইন ছিনতাই, ৫ নারী গ্রেফতার মুজিব শতবর্ষ বগুড়া জেলা দাবা লীগ উদ্বোধন হবু স্ত্রীকে ৬০ কেজি সোনার গহনা উপহার দিলেন যুবক!

ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা লাঞ্ছিত, ধর্মপাশা থানার ওসি প্রত্যাহার

যমুনা নিউজ বিডিঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রলীগ নেতা লাঞ্ছিত ও হাতকড়া পরিয়ে জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার ঘটনায় সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার রাতে ওসি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনকে প্রত্যাহার করে সুনামগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান এ তথ্য  নিশ্চিত করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সমাজকল্যাণ বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী আফজাল খানের (২৪) বাড়ি উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে।

আফজাল গত ২৯ মার্চ দুপুরে ফেসবুকে হেফাজতে ইসলামের সহিংসতার ছবি দিয়ে একটি পোস্ট দেন। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় আফজাল নিজ গ্রাম মহেশপুর থেকে জয়শ্রী বাজারে গেলে জয়শ্রী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম আলমের ছেলে আল মুজাহিদ (২৫) কয়েকজনকে নিয়ে আফজালের কাছে ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। আফজাল বলেন, হেফাজতে ইসলামকে ব্যঙ্গ করে কোনো পোস্ট দেননি। তবে হেফাজতের আন্দোলনের নামে ধ্বংসাত্মক কাজের প্রতিবাদে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

এ নিয়ে আফজাল ও মুজাহিদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে মুজাহিদের পক্ষের লোকজন আফজালকে বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আটকে রাখেন। পরে ধর্মপাশা থানার এসআই জহিরুল ইসলাম ও এএসআই আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর সেখানে উপস্থিত হন ধর্মপাশা থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন।

এ বিষয়ে জয়শ্রী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম আলম ও তার ছেলে আল মুজাহিদ বলেন, হেফাজতকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাসের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছি। ছাত্রলীগ নেতা তখন ইসলাম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করায় পুলিশকে ঘটনাটি জানিয়ে স্থানীয় লোকজন তাকে দলীয় কার্যালয়ে আটকে রেখেছিল। তাকে মারধর বা লাঞ্ছিত করা হয়নি।

তবে আফজালের দাবি, ধর্মপাশা থানার ওসির নির্দেশে তাকে হাতকড়া পরানো হয়েছিল এবং উপস্থিত লোকজনের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার বিবরণ সাদা কাগজে লিখে তাতে সই রেখে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে মঙ্গলবার রাতেই ধর্মপাশা থানার এসআই জহিরুল ইসলাম ও এএসআই আনোয়ার হোসেনকে প্রত্যাহার করে সুনামগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com