সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন

মার্কেট খোলার দাবিতে আজও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ

যমুনা নিউজ বিডি ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দেশে সোমবার থেকে ৭ দিনের লকডাউন চলছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কিছু মানুষকে সাময়িক সময়ের জন্য বিপাকে পড়তে হচ্ছে। লকডাউনের ফলে অনেক পেশার মানুষই কর্মহীন হয়ে পড়েছিল। এবারও তেমনি আশংকা করছেন অনেক সাধারণ মানুষ।

লকডাউনে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু গতকাল সকাল থেকেই লকডাউনে দোকান খুলে দিতে গাউসিয়া-নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা বিক্ষোভ করেছেন।

আজও সকাল থেকে একই দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন রাজধানীর নিউমার্কেট ও মিরপুরসহ একাধিক এলাকার ব্যবসায়ীরা।

মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরের পাশে বেলা ১১টার দিকে শতাধিক ব্যবসায়ী ব্যানার হাতে নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের দাবি, লকডাউনে যেন স্বল্প পরিসরে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার জন্য হলেও দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা পরিবার নিয়ে কীভাবে বাঁচবো। দোকান বন্ধ রাখলে তো উপার্জনের পথও বন্ধ। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ যেন স্বল্প পরিসরে হলেও দোকান খুলে দেওয়া হয়।’

শাহ আলী প্লাজার জুতা ব্যবসায়ী জহুরুল হক বলেন, ‘ছোট দোকানের ওপরে নির্ভর করে চলে আমার পরিবারের ৭ জন মানুষ। তাই এই দোকান বন্ধ রাখলে আমরা কীভাবে চলবো। সরকার যেন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার জন্য হলেও দোকান মার্কেট শপিংমলগুলো খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।’

অপর দিকে মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ করছেন দোকান মালিক-কর্মচারীরা। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

বগুড়াঃ বগুড়ায় মার্কেট ও দোকান খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের খান মার্কেটের সামনে সমবেত হয়ে শহরের সাতমাথায় মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে জেলা প্রশাসক এর অফিসের দিকে রওনা করেন।  বিক্ষোভে খান মার্কেট , গহওর প্লাজা, মেরিনা মার্কেট এর ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ আইনশৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য উপস্থিত হন।

মার্কেট নেতারা বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। ঈদ উপলক্ষে ইতোমধ্যে পোশাক সংগ্রহ করা হয়েছে। এই অবস্থায় লকডউনের কারনে দোকান খোলা রাখতে না পাররে আমাদের পথে বসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। দোকান খোলা রাখতে সরকার ঘোষিত যে কোন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবো।

সিলেট: সিলেটে চলমান বিধিনিষেধ বা লকডাউন মানতে নারাজ ব্যবসায়ীরা। তারা জানিয়েছেন- এই লকডাউনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। সব কিছু স্বাভাবিক থাকলেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা উচিত হচ্ছে না।

এদিকে- দুপুরে লকডাউনে মার্কেট ও দোকানপাট খোলার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা। নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার কয়েকটি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ মার্কেটের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল সহকারে নগরীর কোর্টপয়েন্টের হাসান মার্কেট এলাকায়। সেখানে মার্কেট খুলে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে তারা।

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল এলাকায় আজও মার্কেট খোলার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় হাজী আসহান উল্লাহ সুপার মার্কেটের সামনে ১৫ মিনিটের জন্য সড়ক অবরোধ করে দুই শতাধিক ব্যবসায়ী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।

টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলে মার্কেট ও শপিংমল খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের সমবায় সুপার মার্কেটের সামনে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভে শহরের বিভিন্ন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ আইনশৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য উপস্থিত হন।

মার্কেট নেতারা বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। ঈদ উপলক্ষে ইতোমধ্যে পোশাক সংগ্রহ করা হয়েছে। এই অবস্থায় লকডউনের কারনে দোকান খোলা রাখতে না পাররে আমাদের পথে বসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। দোকান খোলা রাখতে সরকার ঘোষিত যে কোন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবো।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com