বুধবার, ২৮ Jul ২০২১, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

পর্যটকশূন্য কক্সবাজারে সকল স্পট সাময়িক বন্ধ : জেলা প্রশাসন

যমুনা নিউজ বিডিঃ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ জেলার সকল পর্যটন কেন্দ্রগুলো আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।সরকারের নির্দেশনা মতে আপাতত সমুদ্র সৈকতসহ সকল পর্যটন স্পট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে শহর ও সমুদ্রপাড়ের হোটেল-রেস্তোরাঁ ও দোকানপাটসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু থাকবে। ইতিমধ্যে কক্সবাজার শহরের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী সৈকত থেকে পর্যটকদের চলাচল সীমিত করে টুরিস্ট পুলিশ। এছাড়াও সৈকতের চেয়ারছাতা ও বীচ স্পোর্টস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে করোনা বেড়ে যাওয়ার পর গত ২৫ মার্চ থেকে কক্সবাজারে তেমন পর্যটক নেই বলে জানান হোটেল মোটেলে ব্যবসায়িরা।তাদের মতে,যেখানে এই সময়ে লাখো পর্যটকের সমাগম ঘটে এখন পুরো পর্যটন এলাকা জুড়ে মাত্র ৫ হাজার পর্যটকও নেই। এক কথায় এখন পর্যটক শূন্য কক্সবাজার। করোনা মহামারীর ঝুঁকি এড়াতে সরকারি নির্দেশনা মতে কক্সবাজার জেলার সকল পর্যটন স্পট সাময়িক বন্ধ ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ। তিনি জানান, ইতোমধ্যে সারাদেশের মতো কক্সবাজারেও করোনারোগী বাড়তে শুরু করেছে। তাই সরকারি নির্দেশনা মতে, এসকল পর্যটক স্পট সাময়িক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।এছাড়াও করোনা সংক্রম ঠেকাতে ১৮ নির্দেশনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৫ টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের এস পি মোঃ জিল্লুর রহমান জানান, সৈকতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পর্যটকদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। এছাড়াও আগে থেকে কক্সবাজার অবস্থান করা পর্যটকদের জেলাব্যাপী করোনার বর্তমান ভয়াবহতার বিষয়ে অবহিত করে নিজ জেলায় ফিরে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এছাড়াও সৈকতে নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি পর্যটন সেলে কর্মরত ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছে বলে জানান, টুরিস্ট পুলিশের এই কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, করোনা সতর্কতায় গতবছর ১৮ মার্চ থেকে সমুদ্র সৈকতসহ কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ১ জুন থেকে একমাসের জন্য কক্সবাজার জেলাকে লকডাউন, শহরকে রেডজোন ঘোষণা করে সকল ধরনের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ১ জুলাই থেকে লকডাউন শিথীল করে কক্সবাজার শহরের দোকানপাট খুলে দেওয়া হলেও পর্যটন কেন্দ্রগুলো সীমিত পরিসরে চালুর অনুমতি দেয়া হয় গতবছর ১৭ আগস্ট থেকে। অবশ্য কক্সবাজারে প্রথম করোনারোগী শনাক্ত হয় গতবছর ২৪ মার্চ।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com