মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩০ অপরাহ্ন

News Headline :
প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর হকার খুকির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বগুড়ায় আওয়ামী লীগের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা বগুড়া ধুনট- গোসাইবাড়ী রাস্তাটির বেহাল দশা ভোগান্তি চরমে শেখ রাসেল দিবসে বগুড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন কাপড় ও মিষ্টি বিতরণ বগুড়ায় করোনা হেল্প সেন্টারে করোনা রোগীর পরিবারের নিকট সাবেক এমপি লালু’র ফ্রি ওষুধ প্রদান সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত অনলাইন রিটার্ন জমায় ১৩বার দেশ সেরা কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেট গাবতলীতে দু’পক্ষের উত্তেজনা থাকায় মসজিদে মিলাদ করতে দেয়নি পুলিশ গাবতলীতে এডিপির অর্থায়নে ফুটবল বিতরণ উলিপুরে ক্ষতিগ্রস্থ মন্দির পরিদর্শন করলেন ভারতীয় সহকারি হাইকমিশনার

রোজার আগেই বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম

যমুনা নিউজ বিডিঃ  রমজান আসতে এখনও অনেক দেরী! কিন্তু তার আগেই রাঙামাটিতে বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম। জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়ে থাকে কিন্তু তাতে দ্রব্যমূল্যের দাম কমছে না। জেলা প্রশাসন কর্তৃক মোবাইল কোর্টের ফলাফল পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। হাট বাজারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে মোবাইল কোর্ট টিম পরিদর্শনে গেলে অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রত্যেকটি দ্রব্যমূল্যের উপর ৫-১০ টাকা কমিয়ে বলে তখন মোবাইলকোর্ট চলে আসে। কিছুক্ষণ পরেই ফের দাম বাড়াতে থাকে।

ক্রেতা রমিজ আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রাজধানী ঢাকার চেয়েও রাঙামাটিতে সব কিছুর দাম বেশী। আমরা যারা নিন্ম আয়ের মানুষ বাজারে গেলে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। চালের দাম প্রতি বস্তায় বেড়েছে ২-৩শ’ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৩০-১৪০ টাকা, পেঁয়াজ ছিল ৪০টাকা এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকা, রসুন ছিল ৮০ টাকা এখন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। এছাড়া বেড়েছে বয়লার ও দেশী মুরগির দাম। সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের দাম বেড়েছে। অপর দিকে কাঁচা তরিতরকারির দাম ও বেড়েছে দ্বিগুণ। সরকার বলছে সব কিছুর দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে কিন্তু হাট বাজারে গেছে বিপরীত। বর্তমানে পত্র-পত্রিকায় ও টেলিভিশনে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে শুনলেই ব্যবসায়ী তিনগুণ বাড়িয়ে বিক্রি করতে থাকে। প্রশাসন মাঠে নামলে নানান অজুহাত তুলে ধরেন প্রশাসনের কাছে। বৃহত্তর বনরুপা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ঠিকাদার তাপস দাশ বলেন, ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ হতে মাহে রমজানে আমরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে যতটুকু পারি বাজার মনিটরিং করার চেষ্টা করবো। এছাড়াও জেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তদারকি করে আসছে। তার পরও ব্যবসায়ীরা বেশী দামে দ্রব্যমূল্য বিক্রি করছে। ব্যবসায়ীরা বলেন, চট্টগ্রামে দাম বেড়েছে আমাদের কি করার আছে। সর্বক্ষেত্রেই এই পরিস্থিতি। আমি মনে করি এ ব্যাপারে প্রশাসনের আরও কঠোর হতে হবে। কমপক্ষে পবিত্র মাহে রমজান মাসে যেন দ্রব্যমূল্যের দাম শিথিল থাকে। জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. ইসলাম উদ্দিন জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের আদেশক্রমে হাট বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়ত মোবাইল কোর্ট কাজ করছে। তার পরও মাহে রমজান উপলক্ষে তদারকি আরও বাড়িয়ে দেওয়া হবে। যে সকল ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মাত্রায় ক্রেতাদের ঠকিয়ে বেচা-বিক্রি করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com