শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ১২:৩০ অপরাহ্ন

যশোরে শিক্ষককে ফাঁসানোর অভিযোগে আরেক এসআই ক্লোজ

এর আগে গত শনিবার রাত ১০টার দিকে শহরের রেল রোডে সোনালী ব্যাংক করপোরেট অফিসের সামনে এক যুবকের পকেটে গাঁজা দি‌য়ে আটক চেষ্টাকালে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন জনতা। ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানার এসআই মাহবুবকে তখনই সাসপেন্ড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন পু‌লিশ সুপ‌ার।

যশোরে এক কলেজ শিক্ষককে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে কোতোয়ালি ম‌ডেল থানার আরেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) এসএম শামীম আকতারকে ক্লোজ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) একেএম আজমল হুদা। এই নিয়ে গত পাঁচদিনে দুই অফিসারকে একই অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লোজ করা হলো।

অভিযোগে জানা গেছে, গত ১৩ জুন সন্ধ্যার দিকে যশোর সদর উপজেলার কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক জাহিদুল ইসলাম বিপ্লবের পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে আটকের চেষ্টা করেন শামীম আক্তারের এক সোর্স। কলেজশিক্ষক জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব ওই সময় কর্মস্থল থেকে নিজ বাড়ি হৈবতপুর ইউনিয়নের মুরাদগড়ে ফিরছিলেন। পথে যশোর-ঝিনাইদহ সড়কের কাজী শাহেদ সেন্টারের সামনে পৌঁছালে পুলিশ তার গতিরোধ করে। এ সময় কথিত এক সোর্স তার পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এএসআই মনির হোসেনও তার সঙ্গে ছিলেন। এ সময় এসআই এসএম শামীম আক্তার ওই শিক্ষককে আটকের চেষ্টা করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হলে পরিস্থিতি প্রতিকূলে বুঝতে পেরে এসআই এসএম শামীম আক্তার কলেজ শিক্ষককে ছেড়ে দেন।

এই খবর হৈবতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েক নেতা জানতে পারেন। পরে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এই কাহিনী। ওই ঘটনা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের গোচরে আসার পর বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে এসআই এসএম শামীম আক্তারকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।

ওসি একেএম আজমল হুদা জানিয়েছেন, কলেজশিক্ষককে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে এসআই শামীম আক্তারকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com