Breaking News
Home / সারাদেশ / বগুড়া / বগুড়া পৌরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডে হোল্ডিং নম্বর দেয়ার নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ

বগুড়া পৌরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডে হোল্ডিং নম্বর দেয়ার নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়া পৌর এলাকায় বাড়িতে হোল্ডিং নম্বরের প্লেট দেয়ার নাম করে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। পৌর সভার অন্যান্য ওয়ার্ডে বন্ধ হলেও চালু রয়েছে ১৩ নং ওয়ার্ডে। এ ওয়ার্ডের প্রতিটি বাড়ি থেকে নেয়া হচ্ছে ১শ’ টাকা করে।
বগুড়া পৌরসভার হোল্ডিংস শাখায় খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,পৌর এলাকার ১৩ নং ওয়ার্ডে বাড়ির হোল্ডিং নম্বর লাগিয়ে দেয়ার জন্য কোন কার্যক্রম এ বিভাগ থেকে গ্রহণ করা হয়নি। এর আগে বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাড়ি প্রতি ২শ’ থেকে আড়াই’শ টাকা করে নেয়ার কথা শোনা গেছে। তবে এখন তা বন্ধ হয়ে গেছে। পৌরসভা ১৩ নং ওয়ার্ডের নাগরিকরা জানান , কাউন্সিলরের অফিস থেকে প্রতিটি বাড়িতে হোল্ডিং নম্বরের প্লেট লাগিয়ে দেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ১৩ নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর অফিসে কর্মরত পরিচয় দিয়ে কয়েকজন যুবক ওয়ার্ডের প্রতিটি বাড়ি থেকে ১শ’ টাকা করে আদায় করছেন । টাকা নেয়ার সময় বলছেন হোল্ডিং নম্বরের প্লেট তৈরি হলে তা বাড়ির দরজায় সাটিয়ে দিয়ে যাওয়া হবে। এতে প্রতিটি বাড়ির একটা নিজস্ব পরিচিতি হবে। এবং যে কোন ব্যক্তি তাদের বাড়ি খুঁজে পেতে কোন সমস্যা হবে না। এরুপ প্রলোভন দেয়ার পর ওয়ার্ডের অনেক মহল্লবাসি সরল বিশ্বাসে এবং পৌরসভার অনুমোদন মনেকরে তাদেরকে টাকা দিয়েছেন। বগুড়া শহরের চকলোকমান এলাকার আব্দুস সবুর ,ফুলদিঘী এলাকার মোকলেছার রহমান , আবুল কালাম,কৈগাড়ী এলাকার আব্দুস সোবহান,ফুূলতলার শাজাহান, আব্দুল মজিদ,জানান,তিনি পৌরসভার কর্মচারি মনেকরে তাদেরকে ১শ’ টাকা করে দিয়েছেন। পরে পৌরসভা অফিসে গিয়ে জানতে পারেন এ ধরনের কোন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়নি।
এ বিষয়ে বগুড়া পৌরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ খোরশেদ আলমের সাথে কথা বলা হলে তিনি বাড়ি বাড়ি ১শ’ টাকার বিনিময়ে হোল্ডিং নম্বর প্লেট দেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন,এটাতে সবাইকে বাধ্যতামূলক করা হয়নি। যার ইচ্ছা নিতে পারে আবার যার ইচ্ছা নাও নিতে পারে। তবে পৌর সভার অনুমোদন না থাকলেও সভায় আলোচনা করা হয়েছে।
বগুড়া পৌরসভার মেয়র এ্যাড.একেএম মাহবুবর রহমান বলেন,পৌর এলাকার নাগরিকদের বাড়িতে হোল্ডিং নম্বর প্লেট দেয়ার কোন প্রকার অনুমোদন দেয়া হয় নি। কারণ আমরা এখনো পৌর এলাকার সড়কের নম্বর দিতে পারিনাই। সড়কের নম্বর না থাকলে বাড়ির নম্বর দিয়ে পৌর নাগরিকদের কোন উপকারে আসবে না। কোন ওয়ার্ডেই এধরনের কোন প্রকার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়নি। আর টাকা নেয়ার তো প্রশ্নই আসে না। যদি কোন কাউন্সিলর এ ধরনের কোন কার্যকলাপ করে থাকে তার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ দায় নেবে না। তিনি তার নিজ উদ্যোগে এ কাজ করে থাকতে পারেন।

Check Also

নীলফামারী পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

যমুনা নিউজ বিডি: নীলফামারী পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালিত নীলফামারীতে পালিত হয়েছে পাকহানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ …

Powered by themekiller.com