Home / সারাদেশ / চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে নৌকার হালে যোগ হলো নতুন দুই মুখ

চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে নৌকার হালে যোগ হলো নতুন দুই মুখ

যমুনা নিউজ বিডি: চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে শেষ পর্যন্ত নৌকার হাল ধরেছেন বর্তমান তিন সংসদ সদস্যসহ নতুন দুই মুখ। এই নিয়ে আলোচিত দুটি আসনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে। ফলে বাদ পড়েছেন বর্তমান দুইজন সংসদ সদস্য।

চাঁদপুর-১ কচুয়ায় চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। তাঁর মনোনয়নে উৎফুল্ল কচুয়ায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এখানে প্রাথমিকভাবে আরো একজন মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তিনি হলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন।

চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর-দক্ষিণ আসনে এবারে নতুন মুখ হলেন ঢাকা মহানগরী আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। দীর্ঘদিনের মনোনয়ন প্রত্যাশী রুহুল এই প্রথম নৌকার হাল ধরার সুযোগ পেলেন। এতে মায়া শিবিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে। তবে এই নিয়ে সরাসরি কেউ মুখ খুলছেন না। ফলে দুই মতলবের সর্বত্র সুনসান নীরবতা চলছে।

চাঁদপুর-৩ সদর-হাইমচর আসনে আগেই একক প্রার্থী ছিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মণি। তাই এই মুহূর্তে চাঁদপুর সদর ও হাইমচরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দৃষ্টি জেলার অন্য আসনের দিকে। কারণ, ঘরের মনোনয়ন আগেভাগেই নিশ্চিত হওয়ায় এই নিয়ে তাঁদের মধ্যে নতুন করে কোনো উত্তেজনা ছিল না।

চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া শেষ মুহূর্তে মনোনয়ন লাভ করবেন বলে প্রত্যাশা ছিল তাঁর সতীর্থদের। কিন্তু এই আসনে গত কয়েকদিনের শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি কাটিয়ে অবশেষে নৌকার হাল ধরেছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ সফিকুর রহমান।

এর আগে বিগত ২০০১ এবং সবশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপির প্রার্থীর কাছে হেরে যান তিনি। তবে এবারের নির্বাচনে ফরিদগঞ্জের আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে মুহাম্মদ সফিকুর রহমানের বিজয় অনেকটা সহজ হবে। এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংগঠক কামরুল ইসলাম সাউদ।

চাঁদপুর-৫ হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি আসনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ছিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। তবে মহাজোটের নতুন প্রার্থী এই আসনে ভাগ বসাবেন এমন আলোচনাও ছিল সর্বত্র। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামই এখন প্রতিপক্ষের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী।

Check Also

বেলকুচিতে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর

যমুনা নিউজ বিডি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আওয়ামী লীগের দুটি নির্বাচনী কার্যালয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের  হামলা করার অভিযোগ পাওয়া …

Powered by themekiller.com