June 13, 2024, 5:02 pm

যমুনা নিউজ বিডিঃ আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সংবিধানের কোথাও নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলা নেই। এটা প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন তার কতজন মন্ত্রী নির্বাচনকালীন প্রয়োজন। যদি তার সবাইকে প্রয়োজন হয়, সবাই থাকবেন। আর যদি তিনি মনে করেন তিনি ছোট আকারে করতে পারেন সেটা তার ইচ্ছা। সংবিধান তাকে সেই ক্ষমতা দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষের সামনে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অক্টোবরে সংসদের শেষ অধিবেশন, সেখানে কী হবে? উত্তরে তিনি বলেন, ‘সংসদে সবকিছুর আলোচনা হতে পারে। আইন পাসের পাশাপাশি সংসদে সবকিছু হতে পারে।’ এর আগে বৈঠকের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘শ্রম আইনের যে সংশোধনী আনা হয়েছে সেটা মন্ত্রিপরিষদের সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। যে সংশোধনীগুলো আছে সেটার ব্যাপারে আইএলওর কিছু বক্তব্য আছে। সেই বক্তব্য নিয়ে আজকে এসেছে। আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং তার এখানকার যে টিম তাদের সেই বক্তব্য আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন। আমরা সেটা শুনেছি এবং আজকে কিছু কিছু ব্যাপারে আমরা সমস্যার সমাধান করে ফেলেছি। যেটার ক্লারিফিকেশন দেওয়া দরকার, সেটা দিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, কিছু বিষয় যেগুলোতে আমরা মনে করেছি আলাপ-আলোচনাটা আরও বিস্তারিত হওয়া প্রয়োজন এবং তাদের কমপ্লেইনটা যেহেতু আজকে দিয়েছেন তারা। কমপ্লেইন বলবো না, প্রায়োরিটি এরিয়া, সেগুলো যেহেতু আজকে দিয়েছেন তারা, সেটা আমরা বলেছি আগামী রোববার (২২ অক্টোবর) সাড়ে ১১টায় এখানে সভা হবে। সেখানে তাদের প্রায়োরিটি এরিয়া যেগুলো ছিল, সে ব্যাপারে আমরা যে জবাব দিয়েছি, সেগুলো ছাড়া আলোচনা হবে।

আলাপ-আলোচনায় কোন বিষয়ে সমাধান হয়েছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, এখানে একটা প্রশ্ন উঠেছিল ট্রেড ইউনিয়ন গঠন নিয়ে, আলাপ হয়েছে। গ্রুপ অব কোম্পানিজ ট্রেড ইউনিয়ন করতে চাইলে তখন ৩০ শতাংশ শ্রমিকের সই লাগতো। সেটিকে সংশোধন করে ২০ শতাংশ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এটা কমানো হবে বলে আইএলওর কাছে আমাদের অঙ্গীকার ছিল। তিনি বলেন, ৩ হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানে ২০ শতাংশের বদলে ১৫ শতাংশ শ্রমিকের সইয়ে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করা যাবে। আনিসুল হক আরও বলেন, উনাদের এরিয়া অব কনসার্ন যেটা আমার মনে হয় না এটার ব্যাপ্তি অনেক। এটা সমাধান করা যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। ওনাদের প্রায়োরিটিগুলো কী ছিল?- সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ধর্মঘট করার সুযোগ, শ্রম আদালতের ক্ষমতা বাড়ানো এসব নিয়ে আলোচনা। সেগুলো বিস্তারিতভাবে রোববার আলাপ করে বলব। আর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, বেশির ভাগ ব্যাপারে উনারা হ্যাপি। কিছু কিছু এলাকায় যেটা উনারা বলেছেন সেটা ইন্টারন্যাশনাল বা আইএলও’র স্ট্যান্ডার্ডে করতে গেলে এখানে বোধহয় কিছু বিষয়ে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। আমরা সেই বিষয়ে আগামী রোববার বসব।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © jamunanewsbd.com
Design, Developed & Hosted BY ALL IT BD