সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শেরপুর উপজেলা আ.লীগ সভাপতি আমীর আলী আর নেই

যমুনা নিউজ বিডিঃ শেরপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বাজিতখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমীর আলী সরকার (৬৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শেরপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোবারক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টা ও দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে যথাক্রমে বাজিতখিলা ইউপি কার্যালয়ে এবং প্রতাবিয়ায় আমির আলীর নিজ বাড়ির প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও চার মেয়েসহ বহু আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে নিজ এলাকা, দলীয় অঙ্গনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান আমীর আলী সরকার বেশ কিছুদিন যাবত লিভার, কিডনিসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সর্বশেষ তিনি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর শমরিতা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওই অবস্থায় গত ১১ আগস্ট তাকে নিজ বাড়িতে আনা হয়। এরপর হঠাৎ চেয়ারম্যান আমির আলীর অক্সিজেন সমস্যা দেখা দিলে তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এমতাবস্থায় বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।

একজন দক্ষ সংগঠক, আওয়ামী লীগ নেতা এবং ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি; শেরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন; সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মানিক দত্ত, সাধারণ সম্পাদক আদিল মাহমুদ উজ্জ্বল; জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা শেরপুর জেলা ইউনিটের সভাপতি আসাদুজ্জামান মোরাদ, সাধারণ সম্পাদক জি এইচ হান্নান; শেরপুর অনলাইন জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি জুবায়ের রহমান, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল খান সৌরভসহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com