রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০২ অপরাহ্ন

বগুড়া শজিমেকের মনোরোগ চিকিৎসকের যশোরে আত্মহত্যা!

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। গত শনিবার সকাল ৮টার দিকে শহরের পুরাতন কসবা বিমান অফিসপাড়া এলাকার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে।

ওই চিকিৎসকের নাম আবদুস সালাম সেলিম (৫৫)। সম্প্রতি তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বগুড়ায় বদলি করা হয়।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমি তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, বদলিজনিত কারণে ডাক্তার সেলিম খুব পেরেশানিতে ছিলেন। অন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে তিনি চিকিৎসাও নিচ্ছিলেন। অনেকটা ভালো ছিলেন। গতকালও তিনি স্থানীয় একটি ক্লিনিকে বেশ কয়েকজন রোগী দেখেছেন বলে তার স্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন।’ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ডা. সেলিমের স্ত্রী মনিরা বেগম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সকালে তিনি রান্না করছিলেন। এ সময় ডা. সেলিম ঘরের কার্নিশে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মাস তিনেক ধরে ডা. সেলিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বগুড়ায় বদলি করা হয়। তিনি সেখানে যেতে চাননি। এসব কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তিনি মনে করছেন।

ঘটনাটি নিশ্চিত করে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম। তার লাশ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ ছাড়া থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডা. সেলিমের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ডা. সেলিম এর দুই মেয়ে ও এক ছেলে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ছিল। পরে দাফনের জন্য গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাদ মাগরিব জানাযাও পারিবারিক কবর স্থানে দফন করা হবে।

এ বিষয়ে বগুড়া শজিমেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. রেজাউল আলম জুয়েল বলেন, ‘ডা. সেলিমের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তবে কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।’

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com