সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

রাজশাহী মেডিকেলে একদিনে আরো ১৩ মৃত্যু

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ফের মৃত্যু বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ওয়ার্ডে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে রাজশাহী জেলার আটজন, পাবনার তিনজন, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন করে রয়েছেন। মৃত ১৩ জনের মধ্যে পাঁচজন করোনা পজিটিভ ও একজন নেগেটিভ ছিলেন। বাকি সাত করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আজ (শুক্রবার) সকালে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) নয়জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিলেন রামেক হাসপাতালের পরিচালক। তার আগের দিন বুধবার (১১ আগস্ট) মারা যান ১০ জন। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পাঁচজন করোনা পজিটিভ ছিলেন এবং সাতজন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আর একজন করোনামুক্ত হওয়ার পর মারা যান। পজিটিভ অবস্থায় মারা যাওয়াদের মধ্যে রাজশাহীর দুইজন, পাবনার দুইজন এবং নাটোরের একজন। উপসর্গে মারা যাওয়াদের মধ্যে রাজশাহীর পাঁচজন, পাবনার একজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন। এছাড়া করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর মারা যাওয়া একজনও রাজশাহীর বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও ছয়জন নারী ছিলেন। একজনের বয়স ২১-৩০ বছরের মধ্যে ছিল। বাকিরা ৪১-৬৫ বছর বয়সী। মৃতদের পরিবারকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৪ জন। রামেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৭৯ জন এবং সন্দেহভাজন ও উপসর্গ নিয়ে ১৪৬ জন ভর্তি রয়েছেন। এ নিয়ে ৫১৩ বেডের বিপরীতে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৩২৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকের দু’টি পিসিআর ল্যাবে রাজশাহী জেলার ৩৩০টি নমুনা পরীক্ষায় ৮৩ জনের করোনা পজিটিভ আসে। রাজশাহীতে শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ১৫ শতাংশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৭০ নমুনায় ১৬ জনের পজিটিভ আসে। এ জেলায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এছাড়া নাটোরের ১৪১ নমুনায় ২০ জনের পজিটিভ আসে। শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১৮ শতাংশ।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com