রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৮ অপরাহ্ন

টিকা নিয়ে অপপ্রচার ঠেকাতে প্রশাসনকে সজাগ থাকার আহবান– খাদ্যমন্ত্রীর 

 হাফিজুল হক, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ দেশের মানুষের জন্য একুশ কোটি ডোজ টিকার বিষয়ে চুক্তি হয়েছে। প্রতিদিনই দেশে করোনার টিকা আসছে। জনসাধারণকে টিকা গ্রহণ ও মাস্ক পরিধানে সচেতন করতে গণমাধ্যমে আরো বেশি প্রচারণার আহবান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার।
আজ (সোমবার) বিকালে সাপাহার উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘উপজেলার ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন  ও করোনার উর্ধ্বগতি রোধকল্পে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শোকাবহ আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ঘাতকের হাতে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার সকলের স্মরণে এক মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যবিধি  না মানলে করোনা ভয়াবহ রুপ নিতে পারে। করোনা জয় করতে প্রত্যেককেই যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণের মাঝে করোনা সচেতনতা  বৃদ্ধিতে প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করতে হবে। এসময় তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ যাতে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে সে বিষয়ে প্রশাসনকে সজাগ থাকারও জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: আব্দুল্যাহ আল মামুন এর সভাপতিত্বে উপেজলা চেয়ারম্যান মো: শাহজাহান হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মো: আব্দুর রশিদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ  কর্মকর্তা ডা. মুহা. রুহুল আমিন, থানা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: তারেকুর রহমান সরকার, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম শাহ চৌধুরী বক্তৃতা করেন।
মতবিনিময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মীগণ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের করোনা প্রতিরোধে দায়িত্ব পালনকারী সেচ্ছাসেবকগণ অংশ নেন।
পরে তিনি করোনা মোকাবিলায় সাপাহার উপজেলার সম্মুখসারির যোদ্ধাদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী, নগদ অর্থ, ঢেউটিন ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার গৃহহীন ও ভূমিহীন  ঘর পাওয়া বসবাসরত  ২৪ জন উপকারভোগীর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বিতরণ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com