রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫০ অপরাহ্ন

গাবতলীতে ডাকাতি স্বর্ণ চুরি ও মাদক পৃথক তিন মামলায় গ্রেফতার-৩

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া গাবতলীর কাগইল বাজারে আমিন জুয়েলার্সে পৌণে চার লাখ টাকার স্বর্ণ চুরি, সুখানপুকুরে বিদেশী মদ ও বিয়ারের চালান উদ্ধার ও ডাকাতি হওয়া ২১টি গরু উদ্ধার মামলায় পৃথক পৃথকভাবে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৩জনকে গ্রেফতার করে সোমবার জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
জানা গেছে, গাবতলীর কাগইল বাজারে ১৬ই জুলাই দিবাগত রাতে আমিন জুয়েলার্সে ঘরের উপরের টিন কেটে প্রায় পৌণে চার লাখ মূল্যের স্বর্ণ ও রূপা কে বা কারা চুরি করে। এ ঘটনায় জুয়েলার্সের মালিক এনামুল হক বাদী হয়ে মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে-মামলা নং-২। এরই প্রেক্ষিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামীম আহম্মেদ কাগইল বুজরুক গ্রামের সহিদুল ইসলামের ছেলে স্বর্ণ চুরির মূল নায়ক সাদেকুল ইসলাম (২১) কে ১লা আগষ্ট রাতে গ্রেফতার করে এবং চুরি হওয়া গহনাগুলো উদ্ধার করে। অপরদিকে উপজেলা সুখানপুকুর বন্দরে বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশন ও পাট মন্ত্রানালয়ের একটি পরিত্যক্ত পাটের গুদামে আস্তানা গেঁড়ে দীর্ঘদিন থেকে বিদেশী মদ ও বিয়ার বিক্রি করে আসছিল একটি মাদক ব্যবসায়ীর দল। ২৯ জুন সন্ধ্যারাতে একটি মিনি পিকআপে মদ ও বিয়ার লোড করা হচ্ছিল বগুড়ার জলেশ্বরীতলায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। খবর পেয়ে মডেল থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সুখানপুকুর বন্দরে গিয়ে বিপুল পরিমান বিভিন্ন ব্রান্ডের বিদেশী মদ, বেলজিয়াম বিয়ার ও মিনি পিকআপ (ঢাকা মেট্রো-ন-১৭-৬৬৫১) উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত ২জনকে আটক করে।
আটককৃতরা ছিলো, গাবতলী সদর ইউনিয়নের উনচুরখী সারপাড়া গ্রামের আব্দুর নুর মন্ডলের ছেলে মিনিট্রাক ড্রাইভার জাহাঙ্গীর আলম (২৫) ও তার সহযোগী হেলপার নেপালতলী ইউনিয়নের চক ডওর গ্রামের বাবুল খা’র ছেলে সোহেল (১৯)। মদ ও বিয়ার উদ্ধারের ঘটনায় ঐরাতেই ৫জনের নাম উল্লেখসহ ২/৩জনকে অজ্ঞাত করে থানা পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা করে-যার মামলা নং-১৭। এরপর থেকেই মাদক ব্যবসায়ীর মুল চক্রটি আত্মগোপন করে। গত ১লা আগষ্টে মামলার আইও এসআই কুদ্দুস অভিযান চালিয়ে মদ ও বিয়ারের চালানের মুল হোতা মাদক স¤্রাট আবু সাঈদ (৩১)কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আবু সাঈদ বগুড়া জলেশ্বরীতলা নুর মসজিদ বাইলেনের রেজাউল করিমের ছেলে। এছাড়াও ১৮ই জুলাই দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাবতলী পৌরসভাধীন উনচুরখী মোড় হতে ১৬লাখ টাকা মূল্যের ২১টি ডাকাতি করা কোরবানীর ঈদে বিক্রির ষাড় গরু ও একটি বড় ট্রাক উদ্ধার করে এবং আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ২সদস্যকে আটক করে। আটককৃতরা ছিলো, গাবতলী পৌরসভাধীন উনচুরখী উত্তরপাড়ার আঃ গণির শেখের ছেলে আঃ বারী যুবরাজ (৩২) এবং একই গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে ট্রাক চালক সাকিল (২১)। এ ঘটনায় গরুগুলোর মালিক চট্রগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মৃত জাকির হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেকসহ অজ্ঞাত ৭/৮জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করে।
এরই প্রেক্ষিতে মামলার আই.ও এসআই সুব্রতো কুমার মাহাতো ১লা আগষ্ট গরু ডাকাতি মামলার আসামী গাবতলীর সাবাসপুর গ্রামের লয়া প্রামানিকের ছেলে মোমিনুল ইসলাম (৩৫)কে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। উপরোক্ত বিষয়টি থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম স্থানীয় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com