সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন

মমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ১৬ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ জন করোনায় এবং ৮ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন মারা যান।  আজ শনিবার (৩১ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন।

তিনি জানান, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ইউনিটটিতে করোনায় মারা গেছেন- ময়মনসিংহের পাঁচজন, নেত্রকোনার দুজন এবং টাঙ্গাইলের একজন।  তারা হলেন- ময়মনসিংহ সদরের আবদুল আউয়াল (৭২), নুরুল হুদা (৬৫), ফুলপুর উপজেলার রহিমা খাতুন (৫০), হালুয়াঘাটের নরেশ চন্দ্র (৯৬), গফরগাঁওয়ের মনির হোসেন (৫০), নেত্রকোনা সদরের আবদুল আজিজ (৭০), হামিদা খানম (৮৫) ও টাঙ্গাইলের কালীহাতী উপজেলার হাবিবুল্লাহ (৫৮)।  এ ছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন- ময়মনসিংহের পাঁচজন, জামালপুর, শেরপুর ও কিশোরগঞ্জের একজন করে। তারা হলেন- ময়মনসিংহের গৌরীপুরের আব্দুল মোতালেব (৬০), শামসুদ্দিন (৭০), মুক্তাগাছার সামসুল ইসলাম (৬৫), ঈশ্বরগঞ্জের সুফিয়া খাতুন (৭০), ফুলবাড়িয়ার শকুন্তলা (৫০), জামালপুর সদরের কাছিম উদ্দিন (৭০), শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার আবদুর রহমান (৭৮) ও কিশোরগঞ্জের রাশিদা বেগম (৬০)।  ডা. মহিউদ্দিন খান মুন আরও জানান, করোনা ইউনিটে বর্তমানে ৪৯০ জন রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২ জন রোগী। নতুন ভর্তি হয়েছেন ৮৫ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ জন।  এদিকে জেলা সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম জানান, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০৭ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com