সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

বগুড়ায় আ‘লীগ নেতা রকি হত্যাকান্ডে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় চাঞ্চল্যকর আওয়ামীলীগ নেতা মমিনুল ইসলাম রকি (৩৫) হত্যাকান্ডে ঘটনার মূল আসামিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ১২’র সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মূল আসামী শহরতলীর ফাঁপোড় এলাকার আঃ মজিদের ছেলে গাউছুল আজম (২৮), ২ নং আসামী রেজাউল করিমের ছেলে ফুয়াদ হাসান মানিক(২৯)। এদের কাছ থেকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহৃত ১ টি বিদেশী পিস্তল, ১ টি ম্যাগাজিন, ৩ রাউন্ড গুলি ও ১টি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে র‌্যাব-১২’র সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ এলাকা থেকে কৈচর এলাকার মহসিন আলীর ছেলে ৪ নং আসামী মোঃ মেহেদী হাসান (১৮), ১০ নং আসামী আখের আলীর ছেলে আরিফুর রহমান (২৮), এবং হত্যাকান্ডে জড়িত মালগ্রাম এলাকার মোঃ আলী জিন্নাহর ছেলে আলী হাসান (২৮), কৈচর এলাকার মাজেদ আলীর ছেলে ফজলে রাব্বী (৩০), রেজাউল করিমের ছেলে আহাদ (২০)কে গ্রেফতার করে।

উল্লেখ্য গত ২৭ জুলাই মঙ্গলবার রাত ৯টার সময় বগুড়ার শহরতলীর সিরাজুল ইসলামের ছেলে ফাঁপোড় ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রকিকে হাটখোলা এলাকার জনৈক আঃ সামাদের মুদি দোকানের সামনে মসজিদে এশার নামাজ শেষে বের হওয়ার সময় ১৫/২০ জন সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র রামদা, ছোড়া ও চাপাতি দিয়ে পায়ে ও মাথায় কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১০টার দিকে মমিনুল ইসলাম রকিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-১২, হত্যার রহস্য উদঘাটনের জন্য মাঠে নামে এবং হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান পরিচালনা করে।

বগুড়া র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন, দৃষ্টি ২৪.কমকে জানান, আসামীগণ দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিল। গাউছুলের পরিকল্পনায় এই হত্যাকান্ড হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com