বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১৬ অপরাহ্ন

আষাঢ়ের প্রথম দিনে কদম ফুলের দেখা না মিললেও মিলেছে বৃষ্টির

মমিন রশীদ ঃ আষাঢ়ের প্রথম দিনে কোথাও দেখা মেলেনি কদম ফুলের। তবে বগুড়ার আকাশে দেখা মিলেছে কালো মেঘ আর বৃষ্টির। তবে কদম ফুলে দেখা না মেলায় আষাঢ়ের প্রথম দিনটি যেন পায়নি পরিপূরণতা।

আষাঢ়ের প্রথম দিনই দেখা দিলো হৃদয় শীতল করা বৃষ্টিরানী। করোনাকালে আষাঢ় তার বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ শোনালো। কেউ বা শুনেছে বৃষ্টিতে ভিজে আবার কেউ বা শুনেছে ঘরে মাঝে বন্দি অবস্থায় জানালার পাঁশে দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়ে। মন্ত্র মুগ্ধের মত রিমঝিম শব্দে হারিয়ে গেছে অনেকেই।

আষাঢ়ের প্রথম দিনটি নিরাশ না করতে  মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল থেকেই বগুড়ার আকাশ হয়ে পড়ে মেঘাচ্ছন্ন। যেন দিনের বেলায় নেমে আসে সন্ধ্যার আবহ। এরপরই শুরু হয় বৃষ্টি। এতে স্বস্তির নিশ্বা:স ফেলে সাধারন মানুষ। ছাতা নিয়ে বৃষ্টির মধ্যে কাজে বের হয়ে পরে অনেকেই। বৃষ্টিতে জেলা শহরের বিভিন্ন সড়কে জমে ওঠে পানি। এতে সাধারন মানুষকে হাটা চলায় পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। বেশ কয়েকদিন ধরে তীব্র গরমে পুড়ছিল বগুড়ার  জন জীবন।

আষাঢ় ও শ্রাবণ-দুই মাস বর্ষাকাল। আষাঢ়ে গাছে গাছে ফোটে কদম ফুল, যা বর্ষার রূপকে বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা মিলল না কদম ফুলের। তাই বৃষ্টি হলেও পরিপূর্ণতা পেলা না আষাঢ়ের আগমন। তারপরেও বর্ষাকাল মানেই মেঘ, বৃষ্টি, প্রেম, নতুন প্রাণ, জেগে ওঠার গান। বর্ষায় বাংলার নদ নদী পূর্ণযৌবনা হয়ে ওঠে।

জেলা শহরের বাসিন্দা সিয়াম, সাজিদ হোসেন বলেন, বৃষ্টি নামার সাথে সাথে আমরা ভিজতে ঘর থকে বের হয়ে পড়ি। বৃষ্টিতে ভিজতেই যেন মনে পড়ে যায় ছোট বেলা কথা। বৃষ্টিতে ভিজলে বা স্কুল থেকে ভিজে বাড়ীতে ফিরলে প্রচন্ড বকুনী দিতো মা। তবে এখন আর বকুনী দেয় না। বৃষ্টির স্বাধীনতা আর খেয়াল খুশির মত স্বাধীনতা মিলেছে আমাদেরও।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com