শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩০ অপরাহ্ন

News Headline :
হিল্লা বিয়ে কি জায়েজ? রসুন স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা ক্ষতিকর জানেন কি? বৈশ্বিক মঙ্গলের জন্য কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিকোয়াড জোট : মোদি নাইজেরিয়ায় জিহাদি হামলায় ৮ সেনাসদস্য নিহত হুয়াওয়ের নির্বাহীর মুক্তি, দুই কানাডিয়ানকে ছেড়ে দিল চীন ভারতের বিখ্যাত নারীবাদী নেত্রী কমলা ভাসিন আর নেই সিরিয়া যুদ্ধে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের প্রাণহানি : জাতিসংঘ বগুড়ায় রোভার স্কাউট লিডার ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই ঐতিহাসিক ২৫ সেপ্টেম্বর আজ

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস কাল

যমুনা নিউজ বিডিঃ আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস। ১৯৬৬ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়।

এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন পুলিশ ও ইপিআর’র গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহিদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপোষহীন সংগ্রামের ধারায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি।

প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসলেও এ বছর বৈশ্বিক মহামারির কারণে জনসমাগম এড়িয়ে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে দিবসটির কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আগামীকাল সূর্যোদয়ের ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। এছাড়াও সকাল ৯ টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ৬-দফা উত্থাপন করেন এবং পরেরদিন সম্মেলনের আলোচ্য সূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এ দাবির প্রতি আয়োজক পক্ষ গুরুত্ব প্রদান করেনি। তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ৬-দফা উত্থাপন করেন। এ নিয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন খবরের কাগজে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বলে চিহ্নিত করা হয়।
পরে ঢাকায় ফিরে বঙ্গবন্ধু ১৩ মার্চ ৬-দফা এবং এ ব্যাপারে দলের অন্যান্য বিস্তারিত কর্মসূচি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদে অনুমোদন করিয়ে নেন।
৬-দফার মূল বক্তব্য ছিল- প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সব ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দু’টি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন। বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ৬-দফা দাবির মুখে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ৬-দফা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে অস্ত্রের ভাষায় উত্তর দেয়া হবে।

এদিকে ৬-দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা সমগ্র পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ৬-দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। ফলে শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ৬ দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন।

ছয় দফা দাবি আদায় প্রসঙ্গে ‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন- ‘আওয়ামী লীগ কর্মীরা যথেষ্ট নির্যাতন ভোগ করেছে। ছয় দফা দাবি যখন তারা দেশের কাছে পেশ করেছে তখনই প্রস্তুত হয়ে গিয়াছে যে তাদের দুঃখ কষ্ট ভোগ করতে হবে। এটা ক্ষমতা দখলের সংগ্রাম নয়, জনগণকে শোষণের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য সংগ্রাম।’

তিনি আরো লিখেছেন, ‘আমার বিশ্বাস আছে আওয়ামী লীগের ও ছাত্রলীগের নিঃস্বার্থ কর্মীরা, তাদের সাথে আছে। কিছু সংখ্যক শ্রমিক নেতা-যারা সত্যই শ্রমিকদের জন্য আন্দোলন করে-তারাও নিশ্চয়ই সক্রিয় সমর্থন দেবে। এত গ্রেফতার করেও এদের দমাইয়া দিতে পারে নাই।’

পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ৬-দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনই ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়।এ দাবির সপক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করে।
অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাকিস্তানের শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।

আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা এবং সেই সময়ের ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ একটি নিবন্ধে লিখেছেন, ‘ছয় দফা’কে প্রতিহত করার জন্য পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী বহু ষড়যন্ত্র করেছে। বঙ্গবন্ধুকে কারাগারে নিক্ষেপ করেছে। তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়েছে। তারপরও যখন ছয় দফা আন্দোলন রোধ করা যাচ্ছিল না, তখন বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে চিরতরে তার কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেয়ার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে স্বৈরশাসক আইয়ুব খান ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য’ তথা আগরতলা মামলা দেন। সেদিন ছয় দফা দাবি আদায় এবং বঙ্গবন্ধুকে কারামুক্ত করতে আমরা ছাত্ররা ’৬৯-এর জানুয়ারির ৪ তারিখে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে ৪টি ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে ছয়-দফাকে এগারো দফায় অন্তর্ভুক্ত করে গ্রামে-গঞ্জে-শহরে-বন্দরে-কলে-কারখানায় ছড়িয়ে দিয়েছিলাম।’

Please Share This Post in Your Social Media


বৈশ্বিক মঙ্গলের জন্য কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিকোয়াড জোট : মোদি

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com