রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২২ অপরাহ্ন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা নেতা- এমপি সিরাজ

বগুড়া জেলা বিএনপি’র আহবায়ক ও বগুড়া ৬ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা নেতা। জাতির সবচেয়ে সঙ্কট মুহূর্তে তিনি সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তিনি সমগ্র জাতিকে যুদ্ধের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে বলেছিলেন এবং নিজে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে ছিলেন। এই এর মধ্য দিয়ে তারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন। এমপি সিরাজ আরো বলেন, একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে জাতিকে মুক্ত করেছেন জিয়াউর রহমান। জাতিকে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়ে ছিলেন। জাতির মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছিলেন। একটি বিভক্ত জাতিকে তিনি একত্রিত করেছিলেন। নতুন বিপ্লব শুরু করেছিলেন একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য। তিনি হচ্ছে আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। জিয়াউর রহমানের অসমাপ্ত কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন আমাদের নেতা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি গত এক যুগের বেশি সময় পর্যন্ত গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করছেন, কারাবন্দি হয়েছেন। এখনো কার্যত তিনি মুক্ত হন। তাই, তাকে সবাই মাদার অব ডেমোক্রেসি হিসেবে ডাকেন।

মহান স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে গতকাল সোমবার সকালে দলীয় কার্যালয়ের আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, খাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ বিতারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উক্ত কথা বলেন। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু হাসান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রিগ্যান এর পরিচালনায় আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, খাদ্য ও মিক্ষা উপকরণ বিতারণ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চাঁন, বগুড়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এম আর ইসলাম স্বাধীন, হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন সহিদ-উন-নবী সালাম। জেলা যুবদলের যুগ্ন আহŸায়ক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা যুবদলের কমিটি সদস্য আতাউর রহমান সম্ভু, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এনামুল রশিদ চন্দন, সোহরাব হোসেন বাপ্পি, শাফিনুর ইসলাম মিল্টন, জাহাঙ্গীর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রিয়ন জোয়াদার ইসতিরাজ পারভেজ সেতু, রাকিব সিদ্দিকী, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক রবি, সুজন, সহ-দপ্তর সম্পাদক নাসিব মারফিসহ জেলা ছাত্রদলের ২৮টি ইউনিটের নেতৃবৃন্দ। পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। খবর বিজ্ঞপ্তির।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com