মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৭ অপরাহ্ন

News Headline :
প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর হকার খুকির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বগুড়ায় আওয়ামী লীগের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা বগুড়া ধুনট- গোসাইবাড়ী রাস্তাটির বেহাল দশা ভোগান্তি চরমে শেখ রাসেল দিবসে বগুড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন কাপড় ও মিষ্টি বিতরণ বগুড়ায় করোনা হেল্প সেন্টারে করোনা রোগীর পরিবারের নিকট সাবেক এমপি লালু’র ফ্রি ওষুধ প্রদান সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত অনলাইন রিটার্ন জমায় ১৩বার দেশ সেরা কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেট গাবতলীতে দু’পক্ষের উত্তেজনা থাকায় মসজিদে মিলাদ করতে দেয়নি পুলিশ গাবতলীতে এডিপির অর্থায়নে ফুটবল বিতরণ উলিপুরে ক্ষতিগ্রস্থ মন্দির পরিদর্শন করলেন ভারতীয় সহকারি হাইকমিশনার

মোসাদ এবং ‘র’ আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রেখেছে

যমুনা নিউজ বিডিঃ পৃথিবীতে দুটি জালিম সরকার আছে। একটি হলো নেতানিয়াহুর ইসরাইল, অন্যটি নরেন্দ্র মোদির ভারত বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, তাই যখন নরেন্দ্র মোদি এসেছেন তখন ছাত্ররা প্রতিবাদ করে ন্যায্য কাজ করেছেন। গ্রেফতার ৫৪ জনসহ সব ছাত্ররাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তারাই উন্নত ভবিষ্যৎ দেখাতে পারে। নিজের স্বার্থেই আমি তাদের আন্দোলনে আসি।

মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে হওয়া বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘটনায় গ্রেফতার ৫৪ শিক্ষার্থীর মুক্তির দাবিতে সোমবার এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিকদের ব্যানারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ইসরাইল এবং ভারতের গোয়েন্দা বাহিনী আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রেখেছে। ঘেরাও রাখার একটি দীর্ঘ পরিকল্পনা আছে। একটি হলো বাংলাদেশকে সিকিমে পরিণত করা। অন্যটি আপনারা দেখতেই পেয়েছেন। পাসপোর্ট থেকে ইসরাইলের নাম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারছেন না উনি কী ভুল করছেন। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, ‘জাতিকে একত্রিতভাবে উন্নতির পথে আসতে’। প্রধানমন্ত্রীকে আমি অনেকবার বলেছি, সবাইকে ডাকেন, একত্রিত করেন। কিন্তু উনি ডাকেননি। তিনি সত্যকে ভয় পান।

আগামীকালই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবি জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, একটা জাতিকে ধ্বংস করতে তার শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা প্রয়োজন। দয়া করে এটি করবেন না। দরকার হলে শিক্ষার্থীরা দুই বা তিন শিফটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাবে। তারপরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিন, না হলে জাতি সিকিমে (ভারতের একটি রাজ্য) পরিণত হবে। আর এর জন্য দায়ী হবেন আপনি।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া, গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদসহ ছাত্র, যুব, শ্রমিক অধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে হাইকোর্টের সামনে অবস্থান নেন।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com