সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন

বগুড়ার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণীজনদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে পেলেন করোনায় কমর্হীন বগুড়ার ২০১ জন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণীজনও সাংস্কৃতিক কর্মী। সোমবার বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে উপহারের চেক তুলে দেন বগুড়া জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক।

জেলা প্রশাসক বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষের সহায়তায় তিনি আগেও এগিয়ে এসেছেন এবং এবারো করোনাকালেও উপহার হিসেবে প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে প্রদান করেন।” জেলা প্রশাসক আরো বলেন, সরকার করোনাকালে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে। 

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উজ্জল কুমার ঘোষ, এনডিসি জিএম রাশেদুল ইসলাম, জেলা কালচারাল অফিসার শাহাদত হোসেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি তৌফিক হাসান ময়না, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ সিদ্দিকী, গ্রাম থিয়েটারের আব্দুল হান্নান উপস্থিত ছিলেন।

উপহার গ্রহণ করে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণীজন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং  জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com