সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন

করোনা: ৫ রোহিঙ্গা শিবিরে ১২ দিনের লকডাউন

যমুনা নিউজ বিডিঃ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের পাঁচটি রোহিঙ্গা শিবিরে ১২ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাম্পগুলো হচ্ছে- উখিয়ার ২ ডব্লিও, ক্যাম্প ৩, ৪, ১৫ এবং টেকনাফের ২৪ নম্বর ক্যাম্প। শুক্রবার (২১ মে) কক্সবাজার শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের স্বাস্থ্য সমন্বয়ক ডা. আবু তোহা জানান, ক্যাম্পগুলোতে হঠাৎ করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ১১ দিনের লকডাউন দেওয়া হয়। ২০ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত লকডাউনের সময়সীমা। এসময় ক্যাম্পগুলোতে খাদ্য সরবরাহ, চিকিৎসাসেবা, করোনা সচেতনতা সম্পর্কিত ওয়াশ কর্মসূচি, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ক্যাম্পের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, পুষ্টি কার্যক্রমসহ অতি জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আগামী ৩১ মে পর্যন্ত ১২ দিনের লকডাউন চলবে। ক্যাম্পগুলোতে লকডাউন চলাকালে জরুরি বিষয় ছাড়া সব ধরনের যাতায়াত বন্ধ থাকবে। এসময় জরুরি কোনো বিষয় ছাড়া কোনো রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে যেতে পারবেন না এবং জরুরি সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ছাড়া কেউ ক্যাম্পের ভেতরে যেতে পারবেন না। লকডাউন বাস্তবায়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করবে। যোগ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২১ মে ) পর্যন্ত ৩৪টি রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের ৪১ হাজার ৪৭৭ জনের নমুনা টেস্ট করে ৯১৩ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। শুধু গত ১৪ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত গত এক সপ্তাহে ক্যাম্পগুলোতে করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে ১৬৫ জন। শুধু ১৯ মে এবং ২০ মে পরপর ২ দিন ৪৫ জন করে রোহিঙ্গা করোনারোগী শনাক্ত করা হয়। এরমধ্যে উখিয়াউপজেলার ক্যাম্পগুলোতে ৭৪০ জন এবং টেকনাফ উপজেলার ক্যাম্প গুলোতে ১৭৩ জন। এরমধ্যে মারা গেছেন ১৩ জন রোহিঙ্গা। এদিকে, রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে করোনা সংক্রমণ আশংকাজনকহারে বাড়ায় জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাই কমিশন (ইউএনএইচসিআর)গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উখিয়া টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলো অপেক্ষাকৃত বেশি করোনাঝুঁকিতে রয়েছে বলে এক বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর আশংকা করেছে।   এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সহসাই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে করোনা সংক্রমণ আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com