সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন

৬০ বিমান নিয়ে হামাসের সুড়ঙ্গপথে হামলা ইসরাইলের

যমুনা নিউজ বিডিঃ হামাসের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ থেকে রকেট হামলায় বিপাকে পড়েছিল গোটা ইসরাইল। সোমবার থেকে দেশটির বিভিন্ন শহরে গাজা থেকে বৃষ্টির মতো রকেট হামলা চালানো হয়।

হামাসের সেই ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরাইল।

এ বিষয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র হিদাই জিলম্যান এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, মাত্র আধা ঘণ্টায় আমরা ৬৫টি স্থানে আঘাত হেনেছি। ফিলিস্তিনি সংগ্রামীদের কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে ইসরাইলের বিমান বাহিনী।

তবে তার এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করে কোনো বার্তা দেয়নি হামাস।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকে গাজার অন্তত ৬৫টি স্থানে বিমান হামলা হয়েছে। গাজার পশ্চিমের আর-রামাল এলাকায় সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছে।

পার্সটুডের খবরে বলা হয়েছে, এ হামলায় ৬০টি জঙ্গিবিমান অংশ নিয়েছে।

এদিকে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলের সংঘর্ষে দুই ইসরাইলি সেনাবাহিনী আহত হয়েছেন। অপরদিকে ইসরাইলি হামলায় ১৪ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি প্রতিবাদকারীদের ছোড়া গুলিতে দুই ইসরাইলি সেনা আহত হয়েছেন।

এদিকে ফিলিস্তিনে হামলা নিয়ে ইসরাইলের অভ্যন্তরেই বিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইহুদিবাদীদের সঙ্গে আরব মুসলমানদের সংঘর্ষ চলছে। লোদ শহরে ৪৮ ঘণ্টার জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

উগ্র ইহুদিবাদীরা গত রাতেও দখলদার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বাড়ির সামনে সমবেত হয়ে গাজায় হামলা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে। এদের অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ইহুদিবাদী।

Please Share This Post in Your Social Media


বৈশ্বিক মঙ্গলের জন্য কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হলো চার দেশীয় জোট কোয়াডের বৈঠক। কোয়াড অন্তর্ভুক্ত চার দেশের সরকারপ্রধান এই প্রথমবার মুখোমুখি দেখা করলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। বৈঠকে বিশ্বের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলোর পাশাপাশি এশিয়ার পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নরেন্দ্র মোদি কোয়াডের বৈঠকে বলেছেন, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার উন্নয়নের জন্য ২০০৪ সালে সুনামির পর আমরা প্রথম দেখা করেছিলাম। সারা বিশ্ব যখন কোভিড মহামারিতে বিপর্যস্ত, তখন মানবতার কল্যাণে আমরা আবার এক সঙ্গে হলাম।’ কোভিড টিকা নিয়ে কোয়াডের উদ্যোগ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলোকে সাহায্য করবে জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমাদের কোয়াড জোট বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য জরুরি।’ সারা বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করেন মোদি। মুক্ত এশিয়া গড়ে তোলাও কোয়াডের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আমাদের নিজ নিজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে কোয়াড এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাব। জলবায়ু, কোভিড মোকাবিলা এবং বিশ্বের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কোয়াড সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে ভালো লাগছে। বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে কোয়াড।’ মুক্ত এবং উদার এশিয়া গড়া কোয়াডের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চার দেশীয় জোট বৈশ্বিক মঙ্গলের শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আজ, যখন বিশ্ব কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কোয়াডের অধীনে আমরা আবার মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখানে এসেছি।’ মোদির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সরকারপ্রধানরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন বৈঠকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখে উঠে আসে সমস্যা মোকাবিলা করতে চার গণতান্ত্রিক দেশের প্রচেষ্টার কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে দখলদারত্ব থেকে মুক্ত রাখা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সমস্যার সমাধানের পক্ষে মত দেন। এদিকে, স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। মৌলিক অধিকারে বিশ্বাসী চারটি দেশের পক্ষ থেকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’ হিসেবে কোয়াডকে অভিহিত করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরের জন্য ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কর্মসূচির লক্ষ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কোয়াড নেতৃবৃন্দ। এবং জোট এই লক্ষ্যে চমৎকার অগ্রগতি করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কোয়াডের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নরেন্দ্রে মোদি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিষীয় বৈঠক করেছিলেন মোদি। খবর এনডিটিভিকোয়াড জোট : মোদি

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com