রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

রোজিনাকে মুক্তিসহ হেনস্তাকারিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে

বগুড়ায় প্রতিবাদী অবস্থানি কর্মসূচিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, হয়রানীমূলক সাজানো মামলা দিয়ে রোজিনা ইসলামকে কারাগারে প্রেরণ স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য একটি অশনি সংকেত। কতিপয় দুর্নীতিবাজ আমলা তাদের অপকর্মকে ধামাচাপা দিতেই এই নাটক সাজিয়েছেন। তারা দীর্ঘ ৫ ঘন্টা রোজিনাকে সচিবালয়ে আটকে রেখে হেনস্তা ও নির্যাতন চালিয়েছেন। অবিলম্বে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সাজানো মামলা প্রত্যাহার করে তাঁকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে, সেইসাথে রোজিনা ইসলামকে হেনস্তাকারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বুধবার বেলা ১১টায় বগুড়া প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের(বিইউজে) প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বিইউজে সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জে এম রউফের সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারলে সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহমুদুল আলম নয়ন, নির্বাহী পরিষদের অপর সদস্য ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আরিফ রেহমান, বিএফইউজের সাবেক সহসভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য্য শংকর, সমকালের ব্যুরো প্রধান মোহন আখন্দ, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার পারভেজ, এটিএন নিউজের ব্যুরো প্রধান চপল সাহা, বগুড়া প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আব্দুল মোত্তালিব মানিক, দৈনিক উত্তরের দর্পণের সম্পাদক আব্দুস সালাম বাবু, দৈনিক করতোয়ার ইউনিট প্রধান মাসুদুর রহমান রানা, দৈনিক উত্তরের খবরের ইউনিট প্রধান সাজেদুর রহমান সিজু, যমুনা টিভির ব্যুরো প্রধান মেহেরুল সুজন প্রমুখ।
কর্মসূচিতে বক্তারা আরো বলেন, সাজানো মামলায় এক রোজিনা ইসলামকে কারাগারে প্রেরণ করে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও দুর্নীতি বিরোধী অবস্থানকে স্তব্ধ করা যাবেনা। সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে রাষ্ট্রের স্বার্থে, সেই তথ্য সংগ্রহকে যারা চুরি আখ্যা দেয় তারা দেশের ও জনগণের শত্রু। এই দুর্নীতিবাজ চক্র নিজেদের অপরাধকে আড়াল করে সরকার ও সংবাদমাধ্যমকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। কারণ তাদের এই অপচেষ্টা সফল হলেই দুর্নীতির বিষয়টি ধামাচাপা পড়বে। কিন্তু তা কোনভাবেই সফল হবে না, সাংবাদিক সমাজ দেশের ও জনগণের স্বার্থে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের সকল অপকর্ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে।
অবস্থান কর্মসূচিতে বগুড়ার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। (খবর বিজ্ঞপ্তির)

Please Share This Post in Your Social Media


দেশ রাজনীতিকরাজনীতিবিদরা এখন দেশ পরিচালনা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশ এখন রাজনীতিবিদরা পরিচালনা করছেন না। একজন রাজনীতিবিদকে (শেখ হাসিনা) সিকিউরিটি হিসেবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী সব কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তারা রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শনিবার জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নাই। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করেছে। ২০১৮ সালে তারা আগের রাতেই ভোট ডাকাতি করেছে। আপনারা জানেন এই আওয়ামী লীগই ৭২-৭৫ সালে চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া সব সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছিল। সংবাদমাধ্যমকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যিনি স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছিলেন। আমাদের বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি। আজকে একটি সরকার জোর করে বসে আছে। যারা আমাদের ৫০ বছরের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই দুঃসময় শুধু সংবাদমাধ্যমের নয়, এই দুঃসময় শুধু বিএনপির নয়। এই দুঃসময় পুরো জাতির জন্য। ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে একটি আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আজকে আবার শোনা যাচ্ছে নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। কেউ বলছে এটার জন্য একটি আইন করা দরকার। কিন্তু আইনটা করবে কে? সংসদে তো আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কিছু নেই। যারা এদেশে গণতন্ত্রকে হরণ করে এদেশের মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে তারাই আজকে এই আইনটি করবে। ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, প্রেস কাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বর্তামান সভাপতি ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাবেক সভাপতি বাকের হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রা চালাচ্ছেন না: ফখরুল

© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com