শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ১২:১৩ অপরাহ্ন

ধর্মকে কাজে লাগিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, এদেশের ধর্ম ব্যবসায়ী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী অশক্তি যারা, তারা বাংলাদেশের মানুষের ভালো চায় না। এরা করোনাভাইরাসের চেয়েও ভয়ংকর। 

তিনি বলেন, ধর্ম ব্যবসায়ীদের হাত থেকে দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষা করার জন্য অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে। 

সোমবার বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ প্রতিকৃতির ধান কাটা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, এদেশের ধর্ম ব্যবসায়ী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী অশক্তিকে আদর্শিক ও নৈতিক চিন্তা-চেতনার মধ্যে দিয়ে মোকাবিলা করা হবে। এ ধর্ম ব্যবসায়ীরাই অশুভশক্তি। এরাই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল এবং ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। এরাই সাম্প্রদায়িকতার মূলে থেকে দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করে ও তরুণ সমাজকে বিপদগ্রস্ত করছে। ধর্মকে কাজে লাগিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। 

হেফাজতকে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ প্রতিক্রিয়াশীল অশক্তির বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি। এ ধর্মব্যবসায়ীদের হাত থেকে আমরা বাংলাদেশকে রক্ষা করবো। তারা যে নামেই আসুক না কেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিঘ্ন ঘটাতে দেব না। যেকোনো মূল্যে আমরা তাদের প্রতিহত করবো।

সভাপতির বক্তব্যে  ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ জাতীয় পরিষদের আহ্বায়ক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এসব বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদে সদস্য সচিব কৃষিবিদ কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান, কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দ্র চন্দ, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, সহ-সভাপতি ম. আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবুসহ আরো অনেকে।

প্রসঙ্গত, ১০০ বিঘা জমির এই ধান কাটার পরে সেগুলো প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে দেয়া হবে। তবে এর কিছু অংশ স্থানীয় কৃষক এবং এই প্রকল্প কাজের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকদের দেয়া হবে।

গত ২৯ জানুয়ারি জাহাঙ্গীর কবির নানক, বাহাউদ্দিন নাছিমসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিরা ধান গাছের চারা রোপণের মধ্যে দিয়ে প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয়।

শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির আয়তন ১২ লাখ ৯২ হাজার বর্গফুট। দৈর্ঘ্য ৪০০ মিটার এবং প্রস্থ ৩০০ মিটার। এর আগে, ২০১৯ সালে চীনে তৈরি শস্য চিত্রটির আয়তন ছিলো ৮ লাখ ৫৫ হাজার ৭৮৬ বর্গফুট। ফলে বঙ্গবন্ধুর এ প্রতিকৃতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্যচিত্র হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com