রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৫:০৬ অপরাহ্ন

জয়পুরহাটে আধাপাকা ধান নষ্ট করে মাটি ভরাট :প্রতিকার পায়নি কৃষকরা

জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের সদর উপজেলার বম্বু, ও পুরানাপৈল ইউনিয়নের ধারকী টু হেলকুন্ডা মৌজার মধ্য দিয়ে ১০০ শত বছরের একটি খারি(খাল) পানিউন্নয়ন বোর্ড সংস্কার শুরু করেছে। গত ফেব্রুয়ারী মাস থেকে সদও উপজেলার সোয়া ৬ কিলো মিটার দীর্ঘ হেলকুন্ডা খাল পুন: খনন শুরু করা হয়েছে।

এতে খালের দুই পাশের জমির ধান মাটি চাপা পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে,এঘটনায় উপজেলা হেলকুন্ডা, হানাইল, কাদিপুর, মৌজার কৃষকরা ফসলের ক্ষতিপুরনের পাশাপাশি ধান কেটে ঘড়ে না তোলা পর্যন্ত খনন কাজ বন্ধ রাখার দাবী জানিয়েছে। কৃষকরা জানান গত সোমবার এবিষয়ে প্রতিকার চেয়ে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ও পানি উন্নয়ন বোর্ডেও নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে অভিযোগ করেছেন্,।

অভিযোগে জানা গেছে জয়পুরহাট সদও উপজেলার হেলকুন্ডা খাল , পুন: খনন কাজ শুরু হয় গত ফেব্রুয়ারী মাস থেকে , এতে বরাদ্দ হয় ৯০ লাখ টাকা , খাল খননের দায়ত্বি পায় যশোরের মিশন পাড়ার পুরাতন কসবা মেসার্স নুর হোসেন, নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান্। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি হিসেবে খনন কাজ দেখভাল করছেন নাটোরের মুক্তার হোসেন নামের এক ব্যাক্তি।

কৃষকের দাবী খালটি ও প্রস্থ মাত্র ১০ ফুট , অথচ ঠিকাদার তাদেও ব্যাক্তিগত ৪৫ ফুট জমি দখল নিয়ে আধাপাকা ধান ক্ষেত নষ্ট কওে খনন কাজ ও মাটি ভরাট করেছে॥ এত চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষকরা বাধা দিতে গেলে ঠিকাদারের পক্ষ থেকে নানা ভাবে ভয় ভিতী মামলা সহ দেখানো হচ্ছে। ভয়ভিতীর কারনে অনেকেইকাচা ধান কেটে মাটি ভরাটের জায়গা কওে দিতে বাধ্য হচ্ছেন্ কৃষকদেও দাবী ১ মাস পর খাল খনন করলে তাদেও বোরো ধানের ক্ষতি হতোন্ এ অবস্থায় চলমান খাল খননে ক্ষতি পুরনের পাশাপাশি ১ মাসের জন্য খাল খনন কাজ বন্ধের দাবীতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তওে আবেদন করেছে তারা

হেলকুন্ডা গ্রামের কৃষক আবু মাসুম বলেন অনেক টাকা খরচ কওে আমরা বোরা চাষ করেছি। জমিতে ধান প্রায় পেকে গেছে , ১ মাস পর এই ধান তাদেও ঘড়ে উঠার কথা কিন্তু যেভাবে মাঠের ভিতর দিয়ে ভেকো মেশিনে খাল খননের কাজ করা হচ্ছে, তাতে ক্ষেতের অনেক ধান নষ্টহয়ে গেছে।হানাইল গ্রামের কৃষক মোশাররফ হেনের বলেন আগে জানলে আমরা খাল পাড়ে জমিতে ধান লাগামতামনা।

এখন আধাপাকা ধান কেটে খালের মাটি ভরাটের জায়গা খালিকরেদিতে হচ্ছে। না কাটলে ঠিকাদার ধানক্ষেতের উপর মটির ভরাট করছেন। সগুনা গোপীনাথপুর গ্রামের ফেরদৌস জানান আমাদেও বোরো ধানের আশায় দিন গুনছি। এই সময় আমাদেও যেটুকু জমি খালের পাশে রয়েছে সেই ধানও গেল, আবার জমিটুকুও কেড়ে নিল? আমাদেও দেখার কেউনেই , ছেওে মেয়েসহ নাখেয়ে মরতে হবে॥

কৃষকের অভিযোগের ভিত্তিতে জানতে চাইলে নাটোরের ঠিকাদারের প্রতিনিধি মুক্তার হোসেন মোবাইল ফোনে জানান আমরা কৃষকের জমিতে নয় খাল খনন করছি পানি উন্নয়নে বোর্ডেও জায়গায। সময় কম থাকার কারনে বিলম্ব করা সম্ভব হচ্ছেনা। কাজেই দ্রুত সময়ে খাল খনন কাজ শেস করা হবে। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডেও উপবিভাগীয় প্রকৌশরী জাহিদুল ইসলাম এই পতিবেদককে বলেন সরকারের নিতি মালা মেনে গত ফেব্রৃুয়ারী মাস থেকে হেল কুন্ডা খাল পুন: খননের কাজ কওে যাচ্ছি। তিনি বলেন এখনও কৃষকের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে ব্যাবস্থা নেয়া হবে। জেলা প্রশাসক শরিফুল ইষলাম বলেন কৃষকের ধানের ক্ষতি কওে খারলখনন করা যাবেনা ক্ষতি করলে ঠিকাদারকে ক্ষতিপুরন দিতে হবে॥ বিষয়টি পানি উন্নয়ন বের্ডেও নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে।
আমরা কয়েকজন সাংবাদিক সরেজমিনে ঘুওে দেখাগেছে যে, ১০ ফিট খাল ৪৫ ফিট পর্যন্ত মাটি ভরাট কাজ চলছে।। এত কওে কৃষকদেও প্রচুর ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে॥

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com