সোমবার, ২১ Jun ২০২১, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন

জনপ্রতিনিধিদের ইতিবাচক ইচ্ছাই বদলে দিতে পারে ওয়ার্ডের চিত্র

যমুনা নিউজ বিডিঃ বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম (বার) বলেছেন, একজন জনপ্রতিনিধি চাইলেই অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। একজন কাউন্সিলরের ইতিবাচক ইচ্ছাশক্তিই বদলে দিতে পারে একটি ওয়ার্ডের সার্বিক চিত্র। তাই দল,মত,নির্বিশেষে করোনাকালীন এই কঠিন সময়ে তিনি সকলকে সমন্বিতভাবে মানুষের কল্যাণে মানবিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শনিবার রাতে বগুড়া জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত নব-নির্বাচিত কাউন্সিলরদের নিয়ে করোনাকালীন সময়ে করণীয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু রাখার প্রত্যয়ে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্পসময়ের জন্যে আয়োজিত এই সভায় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে পৌর কাউন্সিলরদের মাঝে পর্যায়ক্রমে বক্তব্য রাখেন ৬ নং ওয়ার্ডের পরিমল চন্দ্র দাস, ৮নং ওয়ার্ডের এরশাদ হোসেন, ১৯নং ওয়ার্ডের লুৎফর রহমান, ১১নং ওয়ার্ডের সিপার আল বখতিয়ার, ২০নং ওয়ার্ডের রোস্তম আলী, ৩ নং ওয়ার্ডের কবিরাজ তরুণ কুমার চক্রবর্তী, ৪ নং ওয়ার্ডের আব্দুল মতিন সরকার, ১০ নং ওয়ার্ডের আরিফ রহমান, ৯নং ওয়ার্ডের আলহাজ শেখ, ১ নং ওয়ার্ডের মেহেদী হাসান হিমু, ১৮নং ওয়ার্ডের ইকবাল হোসেন পাইকার রাজু, ১৪নং ওয়ার্ডের এম.আর ইসলাম রফিক, ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর শিখা প্রমুখ। কাউন্সিলরবৃন্দ তাদের বক্তব্যে জেলা পুলিশের সামনে এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন যার মধ্যে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের উৎখাতকরণ, গোপনে এখনো যেসব নির্মাণাধীন বাড়িগুলোতে নিরব চাঁদাবাজি চলছে তা দ্রুত বন্ধকরা, চুরি ও ছিনতাই রোধ, ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করা, নাশকতা রোধে এলাকাভিত্তিক টহল বাড়ানো, মেডিকেলের সামনে ঔষধের সিন্ডিকেট চক্র উৎখাতসহ বিভিন্ন প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় আনা গুরুত্ব পেয়েছে। কাউন্সিলরদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বলেন, ছোট থেকে রাঘব বোয়াল যেই অপরাধ করুক না কেন জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্সভাবে তা প্রতিহত করবে। তিনি জনপ্রতিনিধিদের শুধু তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

একই সাথে সভায় পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে সকল কাউন্সিলরদের মাধ্যমে ওয়ার্ডভিত্তিক নুন্যতম ১০টি প্রয়োজনে আরো বেশী হতে পারে নাইট ভিশন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে মর্মে আলোচনা হয়। সভায় জেলা পুলিশের পক্ষে এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার যথাক্রমে আলী হায়দার চৌধুরী (প্রশাসন), আব্দুর রশিদ (অপরাধ), মোতাহার হোসেন (ডিএসবি) এবং ফয়সাল মাহমুদ (সদর সার্কেল এবং জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র), সদর থানার ওসি সেলিম রেজা, জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিশেষ শাখার ইন্সপেক্টর শাহজাহান আলী, সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ, সদর ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ খোরশেদ আলমসহ সকল ফাঁড়ির ইনচার্জবৃন্দ।
AddThis Sharing Buttons
Share to Facebook
Share to LinkedInShare to Twitter

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com