বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাঙালির পিতার নাম শেখ মুজিবুর’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কুয়েতের বিপক্ষে হারল বাংলাদেশ নন্দীগ্রামে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ইংলিশদের সামনে পাত্তাই পেল না বাংলাদেশ সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেল চাষে মিলবে ব্যাংক ঋণ সিরাজগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কে কেন্দ্র করে বিএনপি-আ’লীগ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ২০ জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান উপলক্ষে ব্রাহ্মণপাড়ায় র‍্যালী ও আলোচনা সভা বগুড়ার ধুনটে সরকারি চাল বোঝাই ট্রাক জব্দ বগুড়ায় জমজম ড্রিংকিং ওয়াটারকে জরিমানা ১ লাখ টাকা নওগাঁর সাপাহার উপজেলা আইন শৃংঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় প্রদর্শিত হবে দেশের ‘সর্ববৃহৎ’ জাতীয় পতাকা

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বৃহৎ আকারের বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। এখন শুধু প্রদর্শনের অপেক্ষা। আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উৎসবের দিনে এই পতাকার উন্মোচন করা হবে। 

প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন বগুড়া জিলা স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন কাপড়ের তৈরি এই জাতীয় পতাকা বানানো ও প্রদর্শনের উদ্যোগ নেয়। আয়োজকরা দাবি করছেন, এটি বাংলাদেশের তৈরি সর্ববৃহৎ জাতীয় পতাকা। পতাকাটি দৈর্ঘ্যে ১৫০ ফিট ও প্রস্থে ৯০ ফিট। এর মোট আয়তন হচ্ছে সাড়ে ১৩ হাজার বর্গফুট। দেশের কাপড়ের এর চেয়ে বড় কোনো পতাকা তৈরি করা হয়নি বলে দাবি আয়োজকদের। 

তারা জানান, মূলত স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী নতুন কিছু করার পরিকল্পনা ছিল। যা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে। আমাদের চেতনায় বা দেশপ্রেমের অন্যতম অংশ মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা। মানচিত্র নিয়ে বিভিন্ন সময় অনেক কিছু করা হয়েছে। কিন্তু মানচিত্র নিয়ে তেমন কিছু করা হয়নি। 

এ জন্য সংগঠনের সদস্যরা ঠিক করেন জাতীয় পতাকা নিয়ে এমন কিছু করার যা দেশকে বিশ্বের কাছে আরও একবার পরিচিত করাবে। আমাদের জাতীয়তাবাদকে আরও ছড়াবে। সেই লক্ষ্য থেকে কাপড় দিয়ে জাতীয় পতাকা তৈরি করা হচ্ছে।

আয়োজকরা জানান, ২৬ মার্চ সকালে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করা হবে।  একই সঙ্গে ২৬ মার্চে উদ্বোধন করা হবে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার।  এতে স্কুলের যেসব শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তাদের ছবি ও ইতিহাস থাকবে।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বগুড়ার মুক্তিযুদ্ধে জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি। রয়েছে অনেক ইতিহাস। এ জন্য সর্ববৃহৎ জাতীয় পতাকার আয়োজনের সঙ্গে জিলা স্কুলকে জড়িয়ে রাখা।

পতাকা তৈরির আয়োজকদের মধ্যে একজন বগুড়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. আরশাদ সায়ীদ। তিনি বলেন, ‘বগুড়ার কিশোর তরুণসহ বয়স্ক অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে আমাদের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা জানে না। অথচ বগুড়ায় জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।’ 

‘খোকন, টিটুর কথা জানতে চাইলে তারা বলে শহীদ মিনার পার্কের খোকন, টিটু মিলনায়নতের টিুটর কথা বলছেন।  কিন্তু আমরা চাই এখনকার ছেলেমেয়েরা তাদের নাম জানুক, ইতিহাস জানুক’, বলেন ডা. সায়ীদ।

তিনি আরও বলেন, এ জন্য জাতীয় পতাকার সাথে আমরা মুক্তিযুদ্ধ কর্নার করছি। যেখানে বগুড়ার যুদ্ধের ইতিহাস জানতে পারবে।

জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিয়ান আল মাহমুদ ও একেএম সোহেবুর রহমান জানান, আমাদের জানামতে এখন পর্যন্ত এটি সর্ববৃহৎ জাতীয় পতাকা। পতাকা প্রদর্শনের পর আমরা ডকুমেন্টসহ কাগজপত্র মন্ত্রনালয়ে পাঠাব।  তারপর স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নিব।  

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামপদ মুস্তাফী জানান, প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বড় আকারে জাতীয় পতাকা তৈরি করছে। পতাকার মাপ নিয়ে আমার সাথে আলোচনা হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। 

পতাকা নির্মাণে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেঞ্জু, সুজন, পায়েল বাবু, ইসমাইল হোসেন সনি, নাঈম, রুপম, আসিফ প্রমুখ জড়িত রয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com