বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাঙালির পিতার নাম শেখ মুজিবুর’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কুয়েতের বিপক্ষে হারল বাংলাদেশ নন্দীগ্রামে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ইংলিশদের সামনে পাত্তাই পেল না বাংলাদেশ সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেল চাষে মিলবে ব্যাংক ঋণ সিরাজগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কে কেন্দ্র করে বিএনপি-আ’লীগ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ২০ জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান উপলক্ষে ব্রাহ্মণপাড়ায় র‍্যালী ও আলোচনা সভা বগুড়ার ধুনটে সরকারি চাল বোঝাই ট্রাক জব্দ বগুড়ায় জমজম ড্রিংকিং ওয়াটারকে জরিমানা ১ লাখ টাকা নওগাঁর সাপাহার উপজেলা আইন শৃংঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সিরিয়ার ধ্বংসস্তূপে যেভাবে ইফতার করে মানুষ

যমুনা নিউজ বিডি ঃ সিরিয়ার অবরুদ্ধ শহর দৌমার বাসিন্দারা একসঙ্গে ইফতার করছেন এমন কিছু ছবি অনলাইনে ব্যাপক শেয়ার হচ্ছে। রাজধানী দামেস্কের কাছেই অবস্থিত দৌমা এলাকা, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এই এলাকার বেশির ভাগই এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত।
কিন্তু এরই মধ্যে সেখানকার বাসিন্দারা একসঙ্গে ইফতার করার ব্যবস্থা করেছেন।

বাসিন্দাদের জন্য এ রকম ইফতারের আয়োজন করেছে সিরিয়ান আদালেহ ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সালে তার কার্যক্রম শুরু করে। বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত পূর্বাঞ্চলীয় ঘৌটা এলাকায় সহায়তা দেবার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটির কাজ শুরু হয়। রমজানের শেষ ১০ দিন প্রতিষ্ঠানটি দৌমার বাসিন্দাদের খাবার সরবরাহ করবে।

মানবাধিকার সংস্থার একজন কর্মকর্তা বলেন, “বিমান হামলার ভয়ে আমরা সাধারণত এ ধরনের আয়োজন করি না। কিন্তু সাম্প্রতিক চুক্তির সুবিধা আমরা নিচ্ছি। ”

সিরিয়ায় চলমান অবরোধ-সংঘর্ষের জের ধরে সেখানে খাদ্যের দাম অনেক চড়া। ইফতারির জন্য যে খাবার দৌমায় সরবরাহ করা হয় সেটি তৈরি করা হয় পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা ঘৌটায়। প্রায় চার বছর ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে দৌমা এলাকা।

২০১৬ সালের অক্টোবরের পর গত মাসে প্রথমবারের মতো একটি সাহায্য সংস্থা দৌমায় প্রবেশ করতে পারে। বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে জায়েশ-আল-ইসলাম, আর গত কয়েক বছর ধরে এ এলাকাকে লক্ষ্য করে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী অনবরত বিমান ও বোমা হামলা চালিয়ে আসছে।

শহরের প্রায় এক শ’র মতো বাসিন্দা একসঙ্গে ইফতার গ্রহণ করছেন। এদের মধ্যে একজন বলছেন, “বিমান হামলার ভয়ে আমরা মসজিদে লুকিয়ে ইফতার করেছি অনেক সময়। ” সিরিয়ার একজন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট টুইটারে ছবিগুলো পোস্ট করে লিখেছেন “দৌমায় মৃত্যুর পরিবর্তে আজ জীবনের ছোঁয়া। ”

আরেকজন টুইটার ব্যবহারকারী এ খাবারকে বর্ণনা করছেন ‘ইফতার অব হিরোজ’ বলে। আরেকজন লিখেছেন, “অনেক জটিল পরিস্থিতির মধ্যে এই মানুষগুলো মানুষের জন্য কাজ করছে এবং অন্যদের জন্যও উদাহরণ তৈরি করছে। ”

ছবিগুলো অনলাইনে প্রকাশের পর হাজার হাজার মানুষ এটি শেয়ার করছে ও নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। ছবিগুলো শেয়ার করে রোজাদারদের সুস্বাস্থ্যও কামনা করেছেন সিরিয়ার নামকরা কয়েকজন সাংবাদিক। অনেক ব্যবহারকারী এটাও বলেছেন, ছবিগুলোতে যে শিশুদের দেখা যাচ্ছে তারা সবাই যুদ্ধে পরিবার-পরিজন হারানো এতিম।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com