মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১২ অপরাহ্ন

News Headline :
গাবতলীতে দু’পক্ষের উত্তেজনা থাকায় মসজিদে মিলাদ করতে দেয়নি পুলিশ গাবতলীতে এডিপির অর্থায়নে ফুটবল বিতরণ উলিপুরে ক্ষতিগ্রস্থ মন্দির পরিদর্শন করলেন ভারতীয় সহকারি হাইকমিশনার সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জে শান্তি শোভাযাত্রা সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা পীরগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একশ বান্ডিল টিন ও নগদ অর্থ বরাদ্দ মেসির জার্সি পেলেন পোপ ফ্রান্সিস নন্দীগ্রামে আওয়ামী লীগের সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা ধর্ম নিয়ে কেউ বাড়াবাড়ি করবেন না: প্রধানমন্ত্রী মানবতার ফেরিওয়ালা আলালের হৃদয়ছোঁয়া ভালবাসায় মুগ্ধ হলেন প্রতিবন্ধী অরবিন্দু

বাজেট নিয়ে সরকারি দলের সদস্যদের তোপের মুখে অর্থমন্ত্রী

যমুনা নিউজ বিডি ঃ সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বাজেট আলোচনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সরকারি দলের সদস্যদের তোপের মুখে পড়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ সময় সরকারি দলের জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করেন।

ব্যাংক হিসাবে আবগারি শুল্ক বাড়ানোর বিষয়ে অনড় থাকায় অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, আপনার দায়িত্ব বাজেট পেশ করা। এই সংসদের ৩৫০ জন জনগণের প্রতিনিধি ঠিক করবেন জনগণের কল্যাণে কোনটা থাকবে, কোনটা থাকবে না। আপনি একগুঁয়েমি সিস্টেম বন্ধ করেন, কথা কম বলেন।

ব্যাংক হিসাবে আবগারি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাবের সমালোচনা করে সেলিম বলেন, এই সামান্য টাকার জন্য গোটা জাতির কাছে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরি হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ আবগারি শুল্ক আগের অবস্থায় রাখার দাবি জানিয়ে বলেন, অর্থমন্ত্রী কী কারণে, কার স্বার্থে ব্যাংক হিসাবে আবগারি শুল্ক করেছেন, জানা নেই। তিনি বলেন, হলমার্কের চার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির পর অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, এ টাকা কিছু নয়। তাহলে কেন সামান্য টাকার জন্য সারাদেশে মানুষের মধ্যে আক্ষেপ তৈরি করলেন।

১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রস্তাবের বিরোধিতা করে সরকার দলের এই সদস্য বলেন, অর্থমন্ত্রী ভ্যাট আরোপ করেছেন গণহারে। পৃথিবীর ইতিহাসে এক বছরে ৩০ শতাংশ বাড়তি ভ্যাট আহরণের নজির নেই। এটা যৌক্তিক নয়।

ব্যাংক খাতে লুটপাটের অভিযোগ এনে হানিফ বলেন, বেসিক ব্যাংককে এক হাজার কোটি টাকা মূলধন দেওয়া হচ্ছে। কার টাকা কেন দিচ্ছেন? তাঁরা দুর্নীতির জন্য লুটপাট করবে আর মূলধন দিতে হবে আমাদের? প্রয়োজনে এই ব্যাংকগুলোর বিষয়ে নতুন করে চিন্তা করা হোক। সরকারি টাকা এভাবে লুটপাট করতে দেওয়া যাবে না।

সরকারি দলের আরেক সাংসদ সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ বলেন, আগামী নির্বাচনে আল্লাহ তাঁকে (অর্থমন্ত্রী) সুযোগ দেবে কি না জানি না। কিন্তু যাদের আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেবে, তারা যাতে নির্বাচন করতে পারে সেটা খেয়াল করতে হবে। সঞ্চয়পত্রে সুদের হার না কমানোর দাবি জানিয়ে আবুল কালাম বলেন, ১০ শতাংশ বাড়ালে খরচ হবে এক হাজার কোটি টাকা। কিন্তু উপকার পাবে লাখ লাখ মানুষ। এটা সিনিয়র সিটিজেনরা পান। তাঁরা কোথাও হাত পাততে পারে না।

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com