বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন

পার্ক আর সবুজের শহর লন্ডন

যমুনা নিউজ বিডি ঃ পৃথিবীর সবচেয়ে সবুজ শহরের একটি লন্ডন। বলা হয়, শহরের ৪৭ শতাংশই সবুজে ঢাকা।
গোটা শহরকে অনেকে শহুরে জাতীয় উদ্যান বলে মন্তব্য করেন। এই সবুজ লন্ডনে অভিযান তাই অনেক ভ্রমণপিয়াসীর কাছে অতি আকর্ষণীয় বিষয়। এখানে আছে বেশ কয়েকটি আইকনিক পার্ক যার অনেক অংশ ক্রমশই বিস্তৃতি পাচ্ছে। বেশ কয়েকটি পার্ক আবার রাজকীয় খ্যাতি পেয়েছে।

বেশ কয়েকটি পার্ক শহরের একেবারে কেন্দ্রস্থলে। খুব সহজে এসব স্থানে ভ্রমণ করা যায়। লন্ডন এমন এক শহর যাকে দুই ভাগ করেছে টেমস নদী। নতুন নতুন আকাশছোঁয়া ভবন আর কাঠামো বাড়ছে শহরজুড়ে। এদের ঘিরে আবার ছোট ছোট বাগান তৈরি হচ্ছে। এসব ছোট পরিসরের পার্ক, স্কয়ার এবং বিকল্প সবুজ পার্কের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এসব স্থানে প্রকৃতির বিচিত্র খেলা। এখানে যাওয়ামাত্র মনটা ভালো হয়ে যাবে। অপূর্ব সুন্দর সব বাগান। পর্যটকদের কাছে এই স্থানগুলোই ঘোরার আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে। এসব পার্কে স্থানীয়দের ভীড় লেগেই থাকে। মর্নিং ওয়াক থেকে শুরু করে সন্ধ্যার প্রাণবন্ত আড্ডাও চলে।

লন্ডনে তাই বাইরে ঘোরাঘুরির জন্য শহরের পার্কগুলোই যথেষ্ট। সময় উপভোগ বা ঘুরে দেখার জন্য হুল্লোড়পূর্ণ ক্লাব বা পার্টি সেন্টারের দরকার পড়ে না। এখানে যেমন বসে বসে অলস সময় কাটাতে পারবেন, তেমনি অভিযানও চলতে পারে অনায়াসে।
লন্ডনের খুব জনপ্রিয় একটি পার্ক ‘হাইড পার্ক’। এখানে আছে ৪ হাজার উদ্ভিদ। আছে একটি লেক, তৃণভূমি আর গোলাপের বাগান। ১৬৬ হেক্টর এলাকাজুড়ে রয়েছে ‘রিজেন্টস পার্ক’। বিখ্যাত স্থপতি জন ন্যাশ এই পার্কের ডিজাইন করেছিলেন ১৮১১ সালে। রাজকীয় একটি পার্ক ‘রিচমন্ড পার্ক’। এখানে ঘুরে বেড়ায় ৬৫০টি হরিণ। প্রায় আড়াই হাজার একর ভূমি নিয়ে বিস্তৃত এই পার্ক। রাজকীয় প্রাসাদে ঘেরা রয়েছে ‘সেন্ট জেমস পার্ক’। এখানকার লেকে আসে বিখ্যাত পেলিকান পাখি। এ ছাড়া ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’, ‘গ্রিনউইচ পার্ক’, ‘হ্যাম্পস্টেড হিথ’, ‘ক্লাফাম কমন’, ‘বাটেরসি পার্ক’, ‘লি ভ্যালি পার্ক’ বা ‘কেনসিংটন গার্ডেন্স’ দেখার মতো সব পার্ক। সূত্র : ইন্টারনেট

Please Share This Post in Your Social Media


© All rights reserved ©  jamunanewsbd.com