Breaking News
Home / সারাদেশ / বগুড়া / শেরপুরে শীতের কারনে বীজতলা নিয়ে চিন্তিত কৃষক

শেরপুরে শীতের কারনে বীজতলা নিয়ে চিন্তিত কৃষক

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে শৈত্যপ্রবাহের কারণে বোরোর বীজতলা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন কৃষক। তাই প্রচ- শীত উপেক্ষা করে বীজতলা পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। পাশাপাশি কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তৎপর রয়েছেন। ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে যাতে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য বীজতলা রক্ষায় কৃষককে করণীয় সম্পর্কে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

স্থানীয় উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় ২০হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য ১হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরী করা হয়েছে। এরইমধ্যে বীজতলায় চারা বাড়তে শুরু করেছে। চলতি জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে জমিতে এই চারা রোপণ করা হবে। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে বীজতলা নিয়ে কৃষক শঙ্কায় পড়েছেন।

সরেজমিনে গেলে কথা হয় সুঘাটের কৃষক মোজদার আলীর সঙ্গে। তিনি জানান, এবার পনের বিঘা জমিতে বোরো চাষের জন্য বীজতলা তৈরী করেছেন। কিন্তু তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশার কারণে বীজতলার চারাগুলো হলুদ হয়ে যাচ্ছে। তাই চারা রক্ষায় কৃষি বিভাগের কর্র্মকর্তাদের পরামর্শে বালাইনাশক প্রয়োগ করা হয়েছে। মনে হয়, প্রতিকার হয়েছে। তবে উৎপাদনে অতিরিক্ত খরচও হচ্ছে। এরপরও বীজতলার চারা রক্ষায় আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কেননা চারা নষ্ট হয়ে গেলে বোরো চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে তিনি জানান। ভবানীপুর ইউনিয়নের বালেন্দা গ্রামের কৃষক হাসেম আলী, পাশের বিশালপুর ইউনিয়নের পালাশন গ্রামের আব্দুস সাত্তারসহ একাধিক কৃষক জানান, এখন বীজতলা জমিতে রোপণের সময় হয়ে গেছে। কিন্তু গত কয়েকদিন থকে প্রচ- ঠা-া ও শীতের কারণে বীজতলা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তারা। কারণ এ মুহূর্তে বীজতলা নষ্ট হলে তা ক্রয় করে রোপণ করা সম্ভব নয় বলে তারা জানান।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, শীত ও একটু কুয়াশা থাকলেও দিনের তাপমাত্রা ভালো। এ অবস্থায় বীজতলার তেমন ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এরপরও তাঁর দফতরের কর্মকর্তারা তৎপর রয়েছেন। এই আবহাওয়ায় করণীয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তাই বীজতলা নিয়ে কৃষকদের শঙ্কার কোন কারণ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

Check Also

দূর্গম পাহাড়ে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হলো ১০ কি:মি: রাস্তা

আলমগীর মানিক,রাঙামাটি থেকে: সরকারী উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দৃষ্টির বাইরে থাকা দুর্গমাঞ্চলের ১০ গ্রামের বাসিন্দারা …

Powered by themekiller.com