Home / সারাদেশ / বগুড়া / বগুড়ায় মুজিব কর্ণার এবং কৈচড় বদ্ধভ‚মি স্মৃতিস্তম্ভ‘র উদ্বোধন

বগুড়ায় মুজিব কর্ণার এবং কৈচড় বদ্ধভ‚মি স্মৃতিস্তম্ভ‘র উদ্বোধন

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় মুজিব বর্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি, মুজিব কর্ণার এবং কৈচড় বদ্ধভূমি স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করেছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। দুইদিনের সরকারি সফরের প্রথম দিন গতকাল মঙ্গলবার সকালে তিনি মুজিব বর্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির আওতায়
বগুড়া সার্কিট হাউসে বৃক্ষরোপণ করেন। সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মুজিব কর্ণার উদ্বোধনের পর বেলা সোয়া ১১ টায় একই কার্যালয়ে ব্রেস্ট্র ফিডিং কর্ণার উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প এবং একটি আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে বিকেলে বগুড়া সদরের ফাঁপোড় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংলগ্ন কৈচড় বদ্ধভ‚মি স্মৃতিস্তম্ভ‘র উদ্বোধন এবং পরিষদ সংলগ্ন সংস্কারকৃত শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন তিনি। সেখানে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেছেন, কৈচর বদ্ধভ‚মিকে বদ্ধভ‚মি হিসেবে অন্তভর্‚ক্ত করতে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানানো হবে। এই বদ্ধভ‚মি, শহীদ মিনার দেখে আগামী প্রজন্ম দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক মোঃ জিয়াউল হক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বগুড়ার বেশ কিছু পরিবার পালিয়ে ভারত যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু দূর্ভাগ্যের বশে মে মাসের প্রথম দিকে তাদের কয়েকজন ধরা পড়ে যায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে। বগুড়ার সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের একটি নির্মাণাধীন স্কুলে তাদেরকে নিয়ে আসা হয়। সেখানে গুলি করে মেরে ফেলে পাক বাহিনী। পরে স্থানীয়দের দিয়ে কবর খুঁড়ে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয় ২৬ জন বাঙ্গালীদের।

স্বাধীনতার ৪৯ বছর পর্যন্ত স্থানীয়দের মুখে মুখে এই গণকবরের কথা ছড়িয়েছে। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি মিলেনি। সম্প্রতি বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে এলে নতুন করে উদ্যোগ নেয়া হয় বধ্যভূমিটি সংস্কারে। বধ্যভূমিতে কবর দেয়া মৃত ব্যক্তিদের নাম তালিকা করা হয়। নামফলক স্থাপন করা হয়।

বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবু সুফিয়ান সফিক, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রুহুল আমিন বাবলু, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতাহার হোসেন, বদ্ধভ‚মির প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ মজিবর রহমান এবং শহীদ পরিবারের সন্তান প্রভাষক রতন কুমার সিংহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) বীর আমির হামযা, ফাঁপোড় ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক মোঃ মহররম আলী, মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম মন্টু, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

Check Also

বগুড়ায় আবারও পানি বাড়ছে যমুনা ও বাঙ্গালী নদীতে

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় যমুনা ও বাঙ্গালী নদীতে আবার পানি বাড়ছে। যমুনা নদীতে পানি বিপদসীমার ১৬ …

error: Content is protected !!
%d bloggers like this:

Powered by themekiller.com